📌 জম্মু-কাশ্মীরের গহিন জঙ্গলে আত্মগোপনে থাকা লস্কর-ই-তৈয়বা কমান্ডার মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসা পেহেলগাম হামলার অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী ছিলেন। সেনা অভিযানে নিহত হওয়ার আগে তিনি মধু দিয়ে গুলির ক্ষত সারানোর চেষ্টা করেছিলেন। পাকিস্তান থেকে তার নিয়ন্ত্রকরা মধুর ব্যবস্থা করেছিলেন
জম্মু-কাশ্মীরের গহিন জঙ্গলে আত্মগোপনে থাকা লস্কর-ই-তৈয়বা (এলইটি) কমান্ডার মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসা পেহেলগাম সন্ত্রাসী হামলার অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী ছিলেন। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষে ৪৫ দিনেরও বেশি সময় ধরে লুকিয়ে থাকার পর বুদগামের ইউসমার্গে সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত হন তিনি। মৃত্যুর আগে তিনি মধু দিয়ে নিজের গুলির ক্ষত সারানোর চেষ্টা করেছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসা পেহেলগাম হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী ছিলেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন।
- 📌 গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি মধু দিয়ে নিজের ক্ষত সারানোর চেষ্টা করেছিলেন, কারণ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব ছিল না।
- 📌 পাকিস্তান থেকে মধুর ব্যবস্থা করেছিলেন তার নিয়ন্ত্রকরা, যাদের কাছে তিনি ক্ষতস্থানে মধু মাখানো অবস্থায় ছবি পাঠিয়েছিলেন।
- 📌 ৪৫ দিনের অভিযান চলার পর বুদগামের ইউসমার্গে সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত হন মুসা।
- 📌 গোয়েন্দাদের দাবি, মুসা একসময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো দল স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপের সদস্য ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
২০২৫ সালের পেহেলগাম সন্ত্রাসী হামলায় মুসা অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী ছিলেন। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষে পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ও তার সহযোগী ইয়াসির পুঞ্চ-রাজৌরির দুর্গম বনে আত্মগোপন করেন। ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের ধরে আনতে টানা ৪৫ দিনেরও বেশি সময় ধরে অভিযান চালায়। গত সেপ্টেম্বরে ইউসমার্গে এক অভিযানে মুসা নিহত হন।
মুসার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়, যেখানে তার ক্ষতস্থানে মধু মাখানো অবস্থায় ছবি পাওয়া যায়। কর্মকর্তারা জানান, এই ছবিগুলো পাকিস্তানে অবস্থানরত তার নিয়ন্ত্রকদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। পাকিস্তান থেকে তার নিয়ন্ত্রকরা খাঁটি মধুর ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
গোয়েন্দাদের দাবি, মুসা একসময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো দল স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপের সদস্য ছিলেন। এই দলের প্রশিক্ষণ তাকে পাহাড়-জঙ্গলে টিকে থাকার সক্ষমতা দিয়েছিল।
"নিরাপত্তা বাহিনীর কারণে মুসার পক্ষে কোনো হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব ছিল না। ফলে বাধ্য হয়েই ক্ষতে মধু লাগিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জম্মু-কাশ্মীর, পুঞ্চ-রাজৌরি, বুদগামের ইউসমার্গ, পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসা, ইয়াসির, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্য
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ দিন, ২০২৫ (পেহেলগাম হামলা), ১০:৪৭ পিএম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!