📌 ইসরায়েল গাজা থেকে শিশু অঙ্গহানি ভোগীদের বিদেশে চিকিৎসা ও প্রতিস্থাপন চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে। মানবাধিকার সংস্থা জানায়, ১১৩৪ শিশু অঙ্গহানি ভোগী হলেও মাত্র ৫০০ জনই স্থায়ী প্রোথেটিকস পেয়েছে। সংস্থাটি ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করেছে।
গাজা পটভূমিতে ইসরায়েলের নীতিগত বাধা শিশুদের অঙ্গহানি চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে। মানবাধিকার সংস্থা ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর জানায়, ইসরায়েল গাজা থেকে শিশু অঙ্গহানি ভোগীদের বিদেশে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ও প্রতিস্থাপন চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে। সংস্থাটি দাবি করে, ইসরায়েলের সীমান্ত বন্ধের কারণে ১১৩৪ শিশু অঙ্গহানি ভোগী চিকিৎসা পাচ্ছে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজায় ১১৩৪ শিশু অঙ্গহানি ভোগী হলেও মাত্র ৫০০ জনই স্থায়ী প্রোথেটিকস পেয়েছে — মোটের ২৫% এরও কম
- 📌 গাজায় মাত্র ৮ জন সার্টিফাইড প্রোথেটিক্স ও অর্থোটিক্স বিশেষজ্ঞ উপলব্ধ — যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের অভাবের কারণে চিকিৎসা বাধাগ্রস্ত
- 📌 ইসরায়েলের সীমান্ত বন্ধের কারণে ১১ বছর বয়সী ফিদা আহমদ আল-শায়েরের ছেলে অঙ্গহানি ভোগী হলেও বিদেশে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও প্রোথেটিক্স পাচ্ছে না
- 📌 মানবাধিকার সংস্থা ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে 'জেনোসাইড কনভেনশনের আর্টিকেল ২' অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করেছে
- 📌 গাজায় প্রোথেটিক্স সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি আমদানি বন্ধের কারণে স্থানীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে
📰 বিস্তারিত
গাজা পটভূমিতে ইসরায়েলের নীতিগত বাধা শিশুদের অঙ্গহানি চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে। ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর জানায়, ইসরায়েলের সীমান্ত বন্ধের কারণে গাজা থেকে শিশু অঙ্গহানি ভোগীদের বিদেশে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ও প্রতিস্থাপন চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে। সংস্থাটি দাবি করে, গাজায় ১১৩৪ শিশু অঙ্গহানি ভোগী হলেও মাত্র ৫০০ জনই স্থায়ী প্রোথেটিকস পেয়েছে — মোটের ২৫% এরও কম।
স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানায়, সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে মে ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালে ২৩০০ জন অঙ্গহানি ভোগী (শিশু ও বয়স্ক) চিকিৎসা মূল্যায়ন পেয়েছেন। কিন্তু মাত্র ৫০০ জনই স্থায়ী প্রোথেটিক্স পেয়েছেন। গাজায় মাত্র ৮ জন সার্টিফাইড প্রোথেটিক্স ও অর্থোটিক্স বিশেষজ্ঞ উপলব্ধ — যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের অভাবের কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে।
ফিদা আহমদ আল-শায়ের, ৩৬ বছর বয়সী একজন মা, বলেছেন, তার ১১ বছর বয়সী ছেলে ইসরায়েলি আর্টিলারি শেলের আঘাতে অঙ্গহানি ভোগী হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, তার ছেলে বহুবার বিদেশে সার্জারি ও প্রোথেটিক্সের প্রয়োজন হলেও ইসরায়েলের সীমান্ত বন্ধের কারণে চিকিৎসা পাচ্ছে না।
"গাজায় মাত্র ৮ জন সার্টিফাইড প্রোথেটিক্স ও অর্থোটিক্স বিশেষজ্ঞ উপলব্ধ। যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের অভাবের কারণে প্রোথেটিক্স তৈরি, ফিটিং, মেইনটেনেন্স ও অ্যাডজাস্টমেন্ট করা সম্ভব নয়।"
মানবাধিকার সংস্থাটি সতর্কতা জানায়, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের বঞ্চনা শিশুদের জীবনকে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিবন্ধকতায় পরিণত করবে। তারা বলেন, চিকিৎসা অনুসরণের অভাব ও প্রোথেটিক্সের অভাব শিশুদের বৃদ্ধির সাথে সাথে আরও জটিলতা, ক্রনিক পেইন ও চলাচলের সমস্যা সৃষ্টি করবে।
ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে মানবাধিকার সংস্থা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করেছে। তারা বলেন, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ 'জেনোসাইড কনভেনশনের আর্টিকেল ২' অনুযায়ী শিশুদের জীবন ও স্বাস্থ্য ধ্বংসের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। সংস্থাটি দাবি করে, শিশুদের অঙ্গহানি ও চিকিৎসা বঞ্চনা এই নীতির অংশ।
ইসরায়েলের সীমান্ত বন্ধের কারণে গাজায় প্রোথেটিক্স সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি আমদানি বন্ধ হয়ে পড়েছে। সংস্থাটি বলেন, বিশেষজ্ঞ দল গাজায় কাজ ও স্থানীয় দলকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য প্রবেশ পত্রের প্রয়োজন হলেও তা পাচ্ছে না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা (পালেস্টাইন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিদা আহমদ আল-শায়ের (৩৬), ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৩৪ শিশু অঙ্গহানি ভোগী, ৫০০ জন প্রোথেটিক্স পেয়েছেন, ৮ জন প্রোথেটিক্স বিশেষজ্ঞ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!