📌 যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধে যোগ দিলে প্রতিবেশী দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করার হুমকি দিয়েছে ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি মোহসেন রেজাই জানিয়েছেন, মার্কিন চাপের মুখে ইরানের অর্থনীতি ধ্বংস করতে চাইলে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে অংশগ্রহণকারীদের
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধে অংশ নেওয়া প্রতিবেশী দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করার হুমকি দিয়েছে ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি মোহসেন রেজাই শনিবার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। অন্যথায় তাদেরকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধে যোগ না দেওয়ার জন্য সতর্ক করেছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 📌 ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ চলমান রয়েছে, যা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়
- 📌 ইরানের অর্থনীতি ধ্বংস করতে চাইলে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান রেজাই
📰 বিস্তারিত
মোহসেন রেজাই তাঁর সাক্ষাৎকারে জানান, ইরান তিন ধাপে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করবে। প্রথম পর্যায়ে আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হবে। তবে তৃতীয় পর্যায়ে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ অব্যাহত রাখবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ ছড়াতে চাই না, কিন্তু প্রয়োজনে ব্যবস্থা নিতেও দ্বিধা করব না।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বুধবার ইরানের বিরুদ্ধে সর্বকালের সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানকে কোনো ধরনের সহায়তা প্রদানকারী দেশগুলোকে ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। তাঁর এই ঘোষণার পর মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও একই সুরে কথা বলেন। তিনি জানান, ‘আপনারা হয় আমাদের সঙ্গে থাকবেন, নয়ত বিরুদ্ধে।’
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ শুরু হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। দুই দেশের যৌথ সামরিক অভিযানের ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেল ও সারের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। ইরান এখন মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও তাদের লক্ষ্যবস্তু সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে।
‘আমরা সব প্রতিবেশী দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ না দেওয়ার জন্য বলছি। অন্যথায়, আমরা তাদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করব।’ — মোহসেন রেজাই, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহসেন রেজাই, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু, ১৭ জুন সমঝোতা ব্যর্থ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!