📌 বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী মধুবালা তারেক আমরোহিকে স্ত্রী তালাক দেওয়ার দাবি করেছিলেন বলে দাবি করেছেন তার ছেলে তাজদার। কমল আমরোহির প্রত্যাখ্যানের পরই সম্পর্ক ভেঙে যায় বলে জানান তিনি
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুবালার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রয়াত নির্মাতা কমল আমরোহির ছেলে তাজদার আমরোহি সম্প্রতি দাবি করেছেন, তাঁর বাবা ও মধুবালার সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার মূল কারণ ছিল অভিনেত্রীর একটি কঠিন শর্ত। তাজদারের মতে, মধুবালা চেয়েছিলেন কমল আমরোহি যেন তাঁর প্রথম স্ত্রী সাইয়েদাকে তালাক দিয়ে তাঁকে বিয়ে করেন। এমনকি তিনি অর্থের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কমল আমরোহির ছেলে তাজদার দাবি করেন, মধুবালা তাঁকে স্ত্রী তালাক দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন
- 📌 তাজদারের ভাষ্য অনুযায়ী, মধুবালা অর্থের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন যাতে স্ত্রী ও সন্তানদের আলাদা করে দেওয়া যায়
- 📌 কমল আমরোহি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং সম্পর্কের ইতি টানেন বলে জানান তাজদার
- 📌 তাজদার আরও দাবি করেন, তাঁর মা সাইয়েদা এই সম্পর্কের কথা জানতেন না
- 📌 কমল আমরোহির ব্যক্তিগত জীবনে আরও কয়েকটি বিয়ে ছিল বলে জানা যায়
📰 বিস্তারিত
তাজদার আমরোহি সম্প্রতি সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানির ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁর বাবা কমল আমরোহি ও মধুবালার সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ১৯৪৯ সালে ‘মহল’ ছবির শুটিংয়ের সময় তাঁর বাবা ও মধুবালার মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। সে সময় কমল আমরোহি বিবাহিত ছিলেন এবং তাঁর সন্তানও ছিল। তাজদারের মতে, মধুবালা তাঁর বাবাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি চান কমল আমরোহি যেন তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তাঁকে বিয়ে করেন। এমনকি তিনি অর্থের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন যাতে স্ত্রী ও সন্তানদের আলাদা করে দেওয়া যায়।
তাজদার আরও জানান, তাঁর বাবা কমল আমরোহি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে তিনি গল্প ও সংলাপ বিক্রি করতে পারেন, কিন্তু নিজের স্ত্রী-সন্তানকে নয়। তিনি বলেন, পরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তাজদারের দাবি, মধুবালা শুধু জনপ্রিয় অভিনেত্রীই ছিলেন না, তিনি আর্থিকভাবেও অত্যন্ত সচ্ছল ছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মধুবালা তাঁর বাবাকে অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন যাতে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের আলাদা করে দিতে পারেন। তবে কমল আমরোহি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং এরপরই দুজনের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।
"আমার বাবা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি গল্প ও সংলাপ বিক্রি করতে পারেন, কিন্তু নিজের স্ত্রী-সন্তানকে নয়। পরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।"
তাজদার আরও দাবি করেন, মধুবালার জীবনে আরও কয়েকটি আলোচিত প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিশেষ করে দিলীপ কুমারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সবারই জানা। তবে কমল আমরোহির সঙ্গে সম্পর্কটি খুব অল্প সময়ের জন্য ছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাজদারের আরও দাবি, তাঁর মা সাইয়েদা এই সম্পর্কের কথা জানতেন না। তিনি শুধু জানতেন, কমল আমরোহি তাঁর প্রথম পরিচালিত ছবি ‘মহল’ নির্মাণ করছেন। পরে চলচ্চিত্র পত্রিকার মাধ্যমে সাইয়েদা জানতে পারেন, কমল আমরোহি অভিনেত্রী মীনা কুমারীকে বিয়ে করেছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতে বলিউড চলচ্চিত্র শিল্প
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাজদার আমরোহি, কমল আমরোহি, মধুবালা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৪৯ (মহল ছবির শুটিংয়ের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!