📌 ইরান মাটির নিচে সুরক্ষিত কারখানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ পুনরায় শুরু করেছে। মার্কিন ও মধ্যপ্রাচ্যের কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পরেও তেহরান নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে
ইরান মাটির নিচে গোপনভাবে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ পুনরায় শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের খোজির ভূগর্ভস্থ কারখানাসহ বিভিন্ন স্থানে বর্তমানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সংযোজন ও উৎপাদন চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পরেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পের পুনরুজ্জীবন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চ্যালেঞ্জে ফেলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ইরানের ভূগর্ভস্থ কারখানায়** ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে, যা মার্কিন ও মধ্যপ্রাচ্যের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
- 📌 **দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের খোজি** সহ একাধিক সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থানে তরল ও কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন চলছে।
- 📌 **যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পরেও** ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংসের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে, কারণ তেহরান মজুত যন্ত্রাংশ দিয়ে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে।
- 📌 **মিসাইল ডিফেন্স অ্যাডভোকেসি অ্যালায়েন্সের বিশ্লেষক** জিম ল্যামসন ও সাবেক সিআইএ বিশেষজ্ঞের মতে, ইরানের মজুত উপাদান দিয়ে **কয়েক শত থেকে কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র** তৈরি করা সম্ভব।
- 📌 **পেন্টাগনের মুখপাত্র** শন পার্নেল দাবি করেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শিল্পের **৯০ শতাংশ** ধ্বংস করা হয়েছে, কিন্তু উৎপাদন তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
- 📌 **হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা** জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংসের কারণে তারা সামরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে, কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু তেহরান নতুন ভূগর্ভস্থ কারখানা গড়ে তুলে মজুত যন্ত্রাংশ দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ শুরু করেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধের আগেই ইরান প্রস্তুতকৃত ওয়ারহেড, এয়ারফ্রেম ও গাইডেন্স সিস্টেমের বিশাল মজুত গড়ে তুলেছিল। এই মজুত উপাদান দিয়ে ইরান **কয়েক শত থেকে কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র** তৈরি করতে পারে।
পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেলের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শিল্পের **৯০ শতাংশ** ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংসের কারণে তারা সামরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য চ্যালেঞ্জ বাড়ছে।
স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ইরান দ্রুত গতিতে সুড়ঙ্গমুখ, সেতু ও সড়ক মেরামত করছে। কিংস কলেজ ও প্যারিসের সায়েন্সেস পো-এর বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বিপুল সামরিক নেটওয়ার্কের কারণে ক্ষেপণাস্ত্র পুনর্নির্মাণের সক্ষমতা দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে তেহরান।
"ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংসের কারণে তারা সামরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাদের পারমাণবিক ক্ষমতার অধিকারী হতে দেবেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের খোজি, ইরানের ভূগর্ভস্থ কারখানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন কর্মকর্তারা, জিম ল্যামসন, শন পার্নেল, হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ শতাংশ, ১০ সেপ্টেম্বর, ১১ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!