📌 আলজেরিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। আবুধাবির 'উসকানিমূলক' আচরণের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আলজেরিয়া আরব আমিরাতের নিবন্ধিত উড়োজাহাজের আকাশসীমা বন্ধ করেছে এবং রাষ্ট্রদূতকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়েছে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য
আলজেরিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। আবুধাবির ধারাবাহিক 'উসকানিমূলক ও বৈরী' আচরণের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আলজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে, তবে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার উল্লেখ না করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আলজেরিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।
- 📌 আবুধাবির 'উসকানিমূলক ও বৈরী' আচরণের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- 📌 আলজেরিয়া আরব আমিরাতের নিবন্ধিত সামরিক ও বেসামরিক উড়োজাহাজের আকাশসীমা বন্ধ করেছে।
- 📌 আলজেরীয় রাষ্ট্রদূতকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য।
- 📌 আলজেরিয়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিরোধী, আরব আমিরাত মরক্কোর পশ্চিম সাহারা দাবিকে সমর্থন করে।
- 📌 আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট আবদেলমাদজিদ তেবউন সৌদি আরব, কাতার ও ওমানের সঙ্গে সম্পর্ককে 'বন্ধুত্বপূর্ণ' উল্লেখ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
আলজেরিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তের পিছনে আবুধাবির 'উসকানিমূলক ও বৈরী' আচরণকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। আলজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আরব আমিরাতের কর্মকাণ্ড এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সেগুলো আর গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা যাচ্ছে না। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার সব জায়গা তারা নষ্ট করে ফেলেছে।
আলজেরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিবন্ধিত সামরিক ও বেসামরিক সব উড়োজাহাজের জন্য আলজেরিয়ার আকাশসীমা বন্ধ করা হয়েছে। তবে চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত আলজিয়ার্সে যাতায়াতকারী আমিরাতের বাণিজ্যিক ফ্লাইটগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
আলজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলজেরিয়ায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে।
আঞ্চলিক ইস্যুতে আলজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন। আলজেরিয়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিরোধী। অন্যদিকে, আলজেরিয়ার আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী মরক্কো ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। পশ্চিম সাহারা নিয়ে আলজেরিয়া ও আরব আমিরাতের অবস্থানও সম্পূর্ণ বিপরীত। আরব আমিরাত মরক্কোর পশ্চিম সাহারা দাবিকে সমর্থন করে, যেখানে আলজেরিয়া পলিসারিও ফ্রন্টকে সমর্থন করে।
আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট আবদেলমাদজিদ তেবউন গত বছর বলেছিলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি দেশ ছাড়া বাকি সব দেশের সঙ্গেই তাঁর দেশের সম্পর্ক খুব ভালো। তিনি সরাসরি সেই দেশের নাম না বললেও ইশারা ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে। তিনি সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান ও কাতারের সঙ্গে আলজেরিয়ার সম্পর্ককে অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি সেই দেশটির বিরুদ্ধে আলজেরিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করার অভিযোগ আনেন।
"আমিরাতের কর্মকাণ্ড এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সেগুলো আর গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা যাচ্ছে না। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার সব জায়গা তারা নষ্ট করে ফেলেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আলজেরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আলজেরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, আবদেলমাদজিদ তেবউন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!