📌 ইংল্যান্ডের পাহাড়ি অঞ্চলে গিলপিনের তীরে অবস্থিত একটি ছোট্ট কটেজে লেখক ড. অসীম চক্রবর্তী পৌঁছান। নীল দিগন্ত ও সবুজ পাহাড়ের মধ্যে নিরবতা ভেঙ্গে শিশুদের গান ও প্রকৃতির সৌন্দর্য লেখককে কৈশোরের প্রেমের কবিতা ও বাঙালি সঙ্গীতের স্মৃতি ফিরিয়ে দেয়। সন্ধ্যায় পাহাড়ের আলো ও জলের শব্দে লেখক নিজের ভেতরের শান্তি খুঁজে পান
ইংল্যান্ডের পাহাড়ি অঞ্চলে গিলপিনের তীরে অবস্থিত একটি ছোট্ট কটেজে পৌঁছানোর পথে লেখক ড. অসীম চক্রবর্তী প্রকৃতির নিরবতা ও সৌন্দর্যের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া প্রেম ও স্মৃতির সন্ধান পান। ইয়র্ক থেকে রিচমন্ডের পথে যাত্রার সময় পাহাড়ের ঢালে ছড়িয়ে থাকা ভেড়ার পাল ও নীল দিগন্তের সান্নিধ্যে লেখককে নিয়ে যায় কৈশোরের স্মৃতি। শিশুদের গান ‘বা বা ব্ল্যা শিপ’ শুনে লেখক মনে পড়ে ক্রিস্টোফার মার্লোর ‘দ্য প্যাশনেট শেফার্ড’ কবিতার সেই প্রেমের আকাঙ্ক্ষা, যেখানে প্রকৃতির সৌন্দর্য প্রেমের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লেখক ড. অসীম চক্রবর্তী ইয়র্ক থেকে রিচমন্ডের পথে পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় নীল দিগন্ত ও সবুজ পাহাড়ের নিরবতা অনুভব করেন, যেখানে শিশুদের গান ও প্রকৃতির সৌন্দর্য তাকে কৈশোরের স্মৃতি ফিরিয়ে দেয়।
- 📌 গিলপিন নদীর তীরে অবস্থিত শতবর্ষী গিলপিন ভিউ কটেজের নিকটে লেখক দেখেন নদীর ক্ষীণ স্রোত ও পাহাড়ের নরম সবুজের সান্নিধ্যে বাড়িটি যেন প্রকৃতির অংশ হয়ে উঠেছে।
- 📌 সন্ধ্যায় পাহাড়ের আলো ও নদীর শব্দে লেখক অনুভব করেন প্রকৃতির নিরবতা ও শান্তি, যেখানে শহরের ব্যস্ততা ও কোলাহল দূরে চলে যায়।
- 📌 লেখক মনে করেন প্রকৃতির সান্নিধ্যে মানুষের ভেতরের হারিয়ে যাওয়া প্রেম, সৌন্দর্য ও সরলতা ফিরে আসে, যা ক্রিস্টোফার মার্লোর কবিতা ও অতুলপ্রসাদ সেনের গানের মতো চিরন্তন অনুভূতি।
📰 বিস্তারিত
লেখক ইয়র্ক থেকে রিচমন্ডের পথে যাত্রার সময় পাহাড়ের ঢালে ছড়িয়ে থাকা ভেড়ার পাল ও নীল দিগন্তের সান্নিধ্যে হারিয়ে যান কৈশোরের স্মৃতিতে। শিশুদের গান ‘বা বা ব্ল্যা শিপ’ শুনে লেখক মনে পড়ে ক্রিস্টোফার মার্লোর ‘দ্য প্যাশনেট শেফার্ড’ কবিতার সেই প্রেমের আকাঙ্ক্ষা, যেখানে প্রকৃতির সৌন্দর্য প্রেমের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল। পাহাড়ের ঢালে ভেড়াগুলো চরতে থাকা অবস্থায় লেখক মনে করেন, প্রকৃতির এমন নিবিড় সান্নিধ্যে মানুষের ভেতরের হারিয়ে যাওয়া প্রেম ও সৌন্দর্য ফিরে আসে।
গিলপিনের তীরে অবস্থিত শতবর্ষী গিলপিন ভিউ কটেজের নিকটে লেখক দেখেন নদীর ক্ষীণ স্রোত ও পাহাড়ের নরম সবুজের সান্নিধ্যে বাড়িটি যেন প্রকৃতির অংশ হয়ে উঠেছে। নদীর পাড়ে লাইমস্টোন তৈরি বাড়িটি পাহাড়ের শরীরে লেপটে আছে যেন কোনো প্রিয় লকেটের মতো। সন্ধ্যায় পাহাড়ের আলো ও নদীর শব্দে লেখক অনুভব করেন প্রকৃতির নিরবতা ও শান্তি, যেখানে শহরের ব্যস্ততা ও কোলাহল দূরে চলে যায়।
সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়ের বুকজুড়ে ছোট ছোট আলো জ্বলে উঠে, যেন আকাশের তারার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। রাতের গভীরে নদীর শব্দ ও পাখিদের কিচিরমিচির মিলে নিস্তব্ধ পাহাড়ের বুকে এক অপার্থিব সিম্ফনি বাজতে থাকে। ভোররাতে লেখক অনুভব করেন নিজের ভেতরের শান্তি ও প্রকৃতির সান্নিধ্যে হারিয়ে যাওয়া প্রেমের স্মৃতি ফিরে আসে।
"বা বা ব্ল্যা শিপ, হ্যাভ ইউ এনি উল...?" শিশুদের সেই গান হঠাৎ আমাকে নিয়ে গেল কয়েক শতাব্দী পেছনে, মনে পড়ল কৈশোরে পড়া ক্রিস্টোফার মার্লোর সেই বিখ্যাত প্রেমের কবিতা, দ্য প্যাশনেট শেফার্ড টু হিজ লাভ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গিলপিন ভ্যালি, ইংল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. অসীম চক্রবর্তী
- 📌 উল্লেখিত কবিতা ও গান: ক্রিস্টোফার মার্লোর ‘দ্য প্যাশনেট শেফার্ড’, অতুলপ্রসাদ সেনের ‘প্রকৃতির ঘোমটাখানি খোল্ লো বধূ’
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!