📌 ইরান মার্কিন কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইরান বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন দূতাবাস ও মিশনগুলোর ওপর আক্রমণের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের সরে যেতে বলা হচ্ছে, কারণ ইরানের হুমকি সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে
মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের ওপর প্রাণঘাতী আক্রমণের পরিকল্পনা করছে ইরান। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইরান বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন দূতাবাস ও মিশনগুলোর ওপর আক্রমণের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের সরে যেতে বলা হচ্ছে, কারণ ইরানের হুমকি সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৩ অক্টোবর** মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক জে ক্লেটন পররাষ্ট্র দপ্তরে একটি সতর্কবার্তা পাঠান, যেখানে বলা হয় ইরান মার্কিন কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলার পরিকল্পনা ‘প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে’ রয়েছে।
- 📌 **২১ অক্টোবর** মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাস থেকে জরুরি নয় এমন কর্মীদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। কারণ হিসেবে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা বেড়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 **মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে** মার্কিন কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের নিশানা করার তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে ইরান।
- 📌 **২৮ ফেব্রুয়ারি** ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়।
- 📌 **মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে** নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, ইরানের হুমকি এখন ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন কূটনীতিক ও কর্মকর্তারা সপরিবার অন্যত্র চলে যান এবং নতুন স্কুলের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু ইরান যুদ্ধের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন দূতাবাস ও মিশন থেকে নিজেদের কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন আবার তাদের সরে যেতে বলা হচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে মার্কিন কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের নিশানা করার তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে ইরান।
২১ অক্টোবর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাস থেকে জরুরি নয় এমন কর্মীদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। কারণ হিসেবে সৌদি আরবে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা বেড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বারবার সতর্ক করে বলেছে, ‘এসব সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে’।
২৩ অক্টোবর মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক জে ক্লেটন পররাষ্ট্র দপ্তরে একটি মেমো পাঠিয়েছেন। মেমোতে বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে মার্কিন কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের নিশানা করার তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে ইরান। এমনকি প্রাণঘাতী হামলার কিছু পরিকল্পনা ‘প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে’ রয়েছে।
এএফএসএ (আমেরিকান ফরেন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের) মুখপাত্র নিকি গেমার বলেছেন, ‘এ বছরের শুরুর দিকে পরিবারগুলো যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল, এবারও তারই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। কেউ কেউ ফিরে এসে সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার পরপরই আবার চলে যাওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন। তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই হতাশ, বিভ্রান্ত ও ক্ষুব্ধ।’
"পরিস্থিতিকে বিশৃঙ্খল বললেও সেটা কম বলা হবে।"
একজন মার্কিন কূটনীতিক সিএনএনকে বলেছেন, ‘পরিস্থিতিকে বিশৃঙ্খল বললেও সেটা কম বলা হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মধ্যপ্রাচ্য, সৌদি আরব, ইয়েমেন, মার্কিন দূতাবাস ও মিশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জে ক্লেটন, নিকি গেমার, মার্কিন কূটনীতিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ অক্টোবর, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২৩ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!