📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভুটানের হিমবাহ হ্রদ ভেঙে বন্যার আশঙ্কা: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-আসামে বিপদ, বাংলাদেশেও ঝুঁকি

ভুটানের হিমবাহ হ্রদ ভেঙে বন্যার আশঙ্কা: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-আসামে বিপদ, বাংলাদেশেও ঝুঁকি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভুটানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হিমবাহ হ্রদ ভেঙে আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে বিপদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের উৎসস্থল সংকোশ নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশেও বন্যার প্রভাব পড়তে পারে

ভুটানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হিমবাহ হ্রদ ভেঙে আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিপদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই বিপদ থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়, কারণ ব্রহ্মপুত্রের উৎসস্থল সংকোশ নদীর মাধ্যমে বন্যার পানি বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভুটানের গাসা জেলার শিনতাফু হ্রদ ভেঙে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বন্যার ঘটনা ঘটে, যা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে বিপদ সৃষ্টি করেছে।
  • 📌 মো ছু নদীর তীরবর্তী জনপ্রিয় প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণকেন্দ্র গাসা ছাচুর সব স্থাপনা সম্পূর্ণভাবে ভেসে যায়, তবে আগেই এলাকার মানুষ সরিয়ে নেওয়ায় কোনো প্রাণহানি হয়নি।
  • 📌 শিনতাফু হ্রদকে ভুটানের সম্ভাব্য বিপজ্জনক ১৭টি হিমবাহ হ্রদের একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
  • 📌 বন্যার পানি ইতোমধ্যে পুনাখা জং থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে কাবেসা গেওগের স্রিগাং এলাকা অতিক্রম করেছে।
  • 📌 ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রয়েছে আসামের ধুবড়ি জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং পাহাড়ি এলাকা, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলা।
  • 📌 ব্রহ্মপুত্রের উৎসস্থল সংকোশ নদীর মাধ্যমে বন্যার পানি বাংলাদেশেও প্রবেশ করতে পারে, যা বাংলাদেশের জন্যও পর্যবেক্ষণের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

📰 বিস্তারিত

ভুটানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত শিনতাফু হ্রদ গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভেঙে গিয়ে আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটায়। এই ঘটনায় মো ছু নদীর তীরবর্তী জনপ্রিয় প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণকেন্দ্র গাসা ছাচুর সব স্থাপনা সম্পূর্ণভাবে ভেসে যায়। তবে আগেই এলাকার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। শিনতাফু হ্রদকে ভুটানের সম্ভাব্য বিপজ্জনক ১৭টি হিমবাহ হ্রদের একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এই বন্যার পানি ইতোমধ্যে পুনাখা জং থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে কাবেসা গেওগের স্রিগাং এলাকা অতিক্রম করেছে। ভুটান সরকার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম সরকারকে সতর্ক করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রয়েছে আসামের ধুবড়ি জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং পাহাড়ি এলাকা, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলা। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংকোশ নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়েছে।

উত্তর ভুটানে উৎপত্তি হওয়া সংকোশ নদীটি উজানের কয়েকটি প্রধান উপনদীর মিলিত প্রবাহে গঠিত হয়েছে। এসব উপনদীর মধ্যে রয়েছে মো ছু ও ফো ছু। নদীটি পরে আসামে গিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে মিশেছে। ব্রহ্মপুত্র নদ ভারতের আসাম হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় উজানের এই বন্যার পানি ভাটির দিকে অগ্রসর হলে বাংলাদেশেও পরিস্থিতির ওপর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

২০২১ সালের ২৬ আগস্টও ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় গাসা ছাচু সম্পূর্ণভাবে ভেসে গিয়েছিল। সেবার মো ছু নদীর পানির প্রবল স্রোতে নদীটির গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে উষ্ণ প্রস্রবণকেন্দ্রের দিকে প্রবাহিত হয়েছিল।

"ভুটানের সঙ্গে সীমান্তবর্তী এসব রাজ্যের কয়েকটি জেলা আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভুটানের গাসা জেলা, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম, বাংলাদেশের ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভুটান সরকার, ভারতীয় প্রশাসন, স্থানীয় বাসিন্দা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭টি হিমবাহ হ্রদ, ২৬ আগস্ট ২০২১, ৮ কিলোমিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖