📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নওগাঁর ভাণ্ডারপুরে প্রাচীন তান্ত্রিক নৃত্য ও ঢাকবাজনার ঐতিহ্য: মলমাসের কারণে আষাঢ়ে অনুষ্ঠিত চামুণ্ডাপূজা

নওগাঁর ভাণ্ডারপুরে প্রাচীন তান্ত্রিক নৃত্য ও ঢাকবাজনার ঐতিহ্য: মলমাসের কারণে আষাঢ়ে অনুষ্ঠিত চামুণ্ডাপূজা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নওগাঁর ভাণ্ডারপুর গ্রামে বুড়াকালী মন্দিরে অনুষ্ঠিত চামুণ্ডাপূজায় তান্ত্রিক মুখানৃত্য ও মাটির ঢাকবাজনার ঐতিহ্য জাগ্রত হয়েছে। মলমাসের কারণে পূজা আষাঢ় মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় শিক্ষার্থী প্রান্তিক চৌধুরী ও পরিবারের সদস্যরা ঐতিহ্যবাহী বাদন ও নৃত্যের বর্ণনা দিয়েছেন

নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার ভাণ্ডারপুর গ্রামে বুড়াকালী মন্দিরের প্রাঙ্গণে প্রাচীন তান্ত্রিক ঐতিহ্য জাগ্রত হয়েছে। সাত বছর বয়সী একটি শিশু এই গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মুখানৃত্যের কেন্দ্রীয় চরিত্রে রূপ নিয়েছে। তার কোমরে লাল শাড়ি পেঁচিয়ে, মুখে সিঁদুর মাখিয়ে এবং রুদ্রাক্ষের মালা পরিয়ে নাচতে শুরু করলেন। সানাইয়ের সুর, ঢাক-কাঁসরের তীব্র বাদন এবং ধূপের ধোঁয়ার মধ্যে শিশুটি হাতে মহিষের শিং ও লাঠি নিয়ে নাচছে। এই নৃত্য দেখে বুঝতে পারা যায়, প্রাচীন সাধনসংস্কৃতি কীভাবে নতুন প্রজন্মের শরীরে আশ্রয় পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৩ ও ২৪ জুন তারিখে ভাণ্ডারপুর গ্রামের বুড়াকালী মন্দিরে অনুষ্ঠিত চামুণ্ডাপূজায় তান্ত্রিক মুখানৃত্য ও ঢাকবাজনার ঐতিহ্য জাগ্রত হয়েছে।
  • 📌 মলমাসের কারণে এই বছর পূজা জ্যৈষ্ঠ মাসের পরিবর্তে আষাঢ় মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
  • 📌 মাটির ঢাক তৈরি হয় বদলগাছীর কুমারদের কাছ থেকে মাটির খোল নিয়ে, যেখানে ছাগীর ও পাঁঠার চামড়া ব্যবহার করা হয়।
  • 📌 প্রান্তিক চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যরা এই ঐতিহ্যবাহী বাদন ও নৃত্যের বর্ণনা দিয়েছেন।
  • 📌 ভক্তরা উপবাস রেখে এই পূজায় অংশগ্রহণ করেন।

📰 বিস্তারিত

নওগাঁর ভাণ্ডারপুর গ্রামের বুড়াকালী মন্দিরে অনুষ্ঠিত চামুণ্ডাপূজায় তান্ত্রিক মুখানৃত্যের ঐতিহ্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসছে। স্থানীয় শিক্ষার্থী ও পূজারী প্রান্তিক চৌধুরী জানান, এই নৃত্য ও ঢাকবাজনা ডোম সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য। তিনি বলেন, “এই নৃত্য ও বাদন আমাদের উত্তরাধিকার। শিশুটি এই ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নাচছে, যা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক।”

প্রান্তিক চৌধুরীর সহযোগিতায় এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ করা গিয়েছিল। তিনি জানান, এই ঢাকের নাম ‘জয়ঢাক’ এবং বাদনের নাম ‘বিশালী বাজনা’। এই ঢাক তৈরি হয় মাটির খোল নিয়ে, যেখানে ছাগীর ও পাঁঠার চামড়া ব্যবহার করা হয়। স্থানীয় ঢাকনির্মাতা পরিবারের সদস্য সীমা মালি বলেন, তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঢাক তৈরির কাজ করে আসছেন। তিনি আরও জানান, “আমাদের পূর্বপুরুষের আমলের কাঠের ঢাকও রয়েছে, তবে বিয়ের অনুষ্ঠানে বাজাতে হয় কাঠের ঢোল ও কড়কা।”

এই বছর পূজা জ্যৈষ্ঠ মাসের পরিবর্তে আষাঢ় মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কারণ, এই মাসে দুইবার চাঁদ উঠেছিল, যা হিন্দু ধর্মে ‘মলমাস’ নামে পরিচিত। মলমাসে পূজা ও বিয়ে নিষিদ্ধ বলে, তাই পূজার সময় পিছিয়ে আষাঢ় মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের বিবরণে জানা যায়, এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানটি গ্রামের জীবন ও উৎসবের সাথে জড়িত।

"এই নৃত্য ও বাদন আমাদের উত্তরাধিকার। শিশুটি এই ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নাচছে, যা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক।"
"মলমাসে পূজা ও বিয়ে নিষিদ্ধ বলে, তাই পূজার সময় পিছিয়ে আষাঢ় মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভাণ্ডারপুর গ্রাম, বদলগাছী উপজেলা, নওগাঁ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রান্তিক চৌধুরী, সান্ত্বনা রানী, সীমা মালি, শিশু নর্তক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ ও ২৪ জুন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖