📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকার মুদ্রা প্রদর্শনীতে বিশ্বের বৃহত্তম থেকে ক্ষুদ্রতম মুদ্রা থেকে এটিএম কার্ড পর্যন্ত বিস্ময়কর সংগ্রহ

ঢাকার মুদ্রা প্রদর্শনীতে বিশ্বের বৃহত্তম থেকে ক্ষুদ্রতম মুদ্রা থেকে এটিএম কার্ড পর্যন্ত বিস্ময়কর সংগ্রহ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বের বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মুদ্রা থেকে শুরু করে কড়ি, স্বর্ণমুদ্রা, এটিএম কার্ড পর্যন্ত বিস্ময়কর সংগ্রহ উপস্থাপন করছে ঢাকার মুদ্রা প্রদর্শনী। ৪৩ জন সংগ্রাহকের ৬১টি বিষয়ের ৪২টি ডিসপ্লে বক্সে ইতিহাসের সাক্ষী মুদ্রাগুলো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে

বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংক নোট থেকে ক্ষুদ্রতম মুদ্রা, কড়ি থেকে এটিএম কার্ড — ঢাকার মুদ্রা প্রদর্শনীতে ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হয়েছে বিভিন্ন যুগের মুদ্রা। বাংলাদেশ নিউমিসম্যাটিক কালেক্টরস সোসাইটি (বিএনসিএস) ষষ্ঠবারের মতো আয়োজন করেছে এই প্রদর্শনী। তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারের ১২ তলায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংক নোট (২০২৫, বুরুন্ডি) থেকে ক্ষুদ্রতম মুদ্রা (১৯১৭, রোমানিয়া) পর্যন্ত ১০৮ বছরের ইতিহাসের মুদ্রা প্রদর্শিত হচ্ছে
  • 📌 ৪৩ জন সংগ্রাহক ৬১টি বিষয়ের ৪২টি ডিসপ্লে বক্সে উপস্থাপন করছেন ১৮ শতকের কড়ি থেকে ডিজিটাল এটিএম কার্ড পর্যন্ত মুদ্রা
  • 📌 প্রদর্শিত মুদ্রাগুলোর মধ্যে রয়েছে কাটাঙ্গা ক্রস (জায়ার মুদ্রা), বাঘের জিহ্বা মুদ্রা, ডিঙি নৌকার বোট মানি, টিপু সুলতানের স্বর্ণমুদ্রা
  • 📌 ১৯৩৭ সালের বার্মার মুদ্রা, ১৯৪৮ সালের পাকিস্তানের ওভারপ্রিন্ট মুদ্রা, ক্যারিবীয় অঞ্চলের সব দেশের ব্যাংক নোটও প্রদর্শিত হচ্ছে
  • 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘টাকার জাদুঘর’-এর সাবেক কিউরেটর আছিয়া খানম বলেছেন, প্রদর্শনী থেকে বর্তমান প্রজন্ম জানতে পারবে বিশ্বের মুদ্রার ইতিহাস ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতি

📰 বিস্তারিত

মুদ্রা ইতিহাসের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। কোনো শাসক সিংহাসনে আরোহণের পর নিজের শাসনের স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠা করতে মুদ্রার প্রচলন করতেন। মুদ্রায় খোদাই করা শাসকের নাম, সাল, প্রতীক ও অন্যান্য চিহ্ন থেকে রাজ্য পরিচালনার নানা অজানা তথ্য জানা যায়। এমনকি মুদ্রার সূত্র ধরে বিলুপ্ত জনপদ ও হারিয়ে যাওয়া রাজ্যের ইতিহাসও উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংক নোটটি প্রকাশ করেছে আফ্রিকার দেশ বুরুন্ডি, ২০২৫ সালে। এটি ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক কনভেনশন চুক্তির ৪৫তম বার্ষিকী উদ্‌যাপনের জন্য। অন্যদিকে, ইউরোপের রোমানিয়া ১৯১৭ সালে প্রকাশিত ক্ষুদ্রতম ব্যাংক নোটের আকার ছিল আঙুলের ফাঁকে সহজেই হারিয়ে যেতে পারে এমন। এই দুই মুদ্রার মধ্যে সময়ের ব্যবধান ১০৮ বছর।

প্রদর্শনীতে রয়েছে বিভিন্ন দেশের স্বর্ণমুদ্রা, যেমন রাজা কনিষ্কের মুদ্রা, মহীশূরের টিপু সুলতানের মুদ্রা, হায়দরাবাদের নিজামের মুদ্রা। এছাড়া রয়েছে ৫ থেকে ১০ হাজার ফ্রাঙ্কের কারুকার্যময় ব্যাংক নোট। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো ‘কাটাঙ্গা ক্রস’ মুদ্রা, যা আফ্রিকার জায়ার দেশে প্রচলিত ছিল। এই মুদ্রায় লেখা রয়েছে, ১০টি ক্রস দিয়ে ১০ কেজি আটা অথবা ৫/৬টি মুরগি কেনা যেত এবং ১০টি ক্রস দিয়ে একটি বন্দুক কিনা যেত।

বিএনসিএসের সভাপতি মুদ্রাসংগ্রাহক মো. রবিউল ইসলামের সংগ্রহে রয়েছে ১৮ শতকের কড়ি, বাঘের জিহ্বা মুদ্রা, ডিঙি নৌকার বোট মানি। সংগ্রাহক সত্যজিৎ ঘোষের বক্সে রয়েছে ১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ ভারত থেকে আলাদা হওয়ার পর ভারতে ছাপানো বার্মার মুদ্রা। পাকিস্তানের জন্য ব্রিটিশ ইন্ডিয়ায় ওভারপ্রিন্ট করা মুদ্রাও প্রদর্শিত হয়েছে, যা ১৯৪৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রচলিত ছিল।

"এ প্রদর্শনী দেখে বর্তমান প্রজন্ম জানতে পারবে, এ অঞ্চলসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের মুদ্রার ইতিহাস। কত সমৃদ্ধ ছিল আগের মানুষ আর তাঁদের চিন্তাভাবনা। সে ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রদর্শনীর আয়োজন ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রেরণা।"

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘টাকার জাদুঘর’-এর সাবেক কিউরেটর আছিয়া খানম প্রথম আলোকে বলেছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টার (১২ তলা)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মুদ্রাসংগ্রাহক মো. রবিউল ইসলাম, সত্যজিৎ ঘোষ, আছিয়া খানম, কামরুজ্জামান কায়সার, জাহিদুর রহমান, সাদ উর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩ জন সংগ্রাহক, ৬১টি বিষয়, ৪২টি ডিসপ্লে বক্স, ১০৮ বছর সময় ব্যবধান, ৪৫তম বার্ষিকী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖