📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৪০ দিন যুদ্ধের মধ্যেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা উৎপাদন বেড়েছে ৮৫ শতাংশ

৪০ দিন যুদ্ধের মধ্যেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা উৎপাদন বেড়েছে ৮৫ শতাংশ

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৪০ দিনের মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের মধ্যেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উৎপাদন নির্বিঘ্নে চলছে বলে দাবি করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর। উৎপাদন অবকাঠামোর ৮৫ শতাংশ সুরক্ষিত থাকায় সরবরাহেও কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা

মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ৪০ দিনব্যাপী আগ্রাসনের মধ্যেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উৎপাদন নির্বিঘ্নে অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। শুক্রবার ইরানের জাতীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর ৪০ দিনের সামরিক অভিযানের মধ্যেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উৎপাদন নির্বিঘ্নে চলছে
  • 📌 আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের কর্মকর্তা জানান, উৎপাদন অবকাঠামোর ৮৫ শতাংশই সুরক্ষিত ছিল যুদ্ধ শুরুর আগে নেওয়া পদক্ষেপের কারণে
  • 📌 যুদ্ধ চলাকালে ইরানি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভূপাতিত মার্কিন ও ইসরায়েলি ড্রোন ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ প্রদর্শন করা হয়
  • 📌 জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের যুদ্ধবিরতির পর সামরিক ইউনিটগুলোতে নতুন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে

📰 বিস্তারিত

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের অ্যারোস্পেস ফোর্সের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ৪০ দিনের আগ্রাসনের মধ্যেও দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উৎপাদন নির্বিঘ্নে চলছে। যুদ্ধ শুরুর আগে নেওয়া সতর্কতামূলক পদক্ষেপের কারণে উৎপাদন অবকাঠামোর ৮৫ শতাংশই সুরক্ষিত ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। ফলে উৎপাদন বা সরবরাহে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, যুদ্ধ চলাকালে ইরানি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভূপাতিত মার্কিন ও ইসরায়েলি ড্রোন এমকিউ-৯ রিপার, হার্মিস ৯০০, হার্মিস ৪৫০-এর ধ্বংসাবশেষ এবং একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ প্রথমবারের মতো প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির পর সামরিক ইউনিটগুলোতে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। যুদ্ধে কার্যকর প্রমাণিত ক্ষেপণাস্ত্র ও সমরাস্ত্রের উৎপাদনের গতি যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় বর্তমানে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও তিনি জানান।

"যুদ্ধ শুরুর আগে নেওয়া সতর্কতামূলক পদক্ষেপের কারণে অ্যারোস্পেস ফোর্সের 'সেলফ-সাফিসিয়েন্সি জিহাদ অর্গানাইজেশন'-এর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উৎপাদন অবকাঠামোর ৮৫ শতাংশেরও বেশি সুরক্ষিত ছিল। ফলে উৎপাদন বা হস্তান্তরে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইরান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ দিন, ৮৫ শতাংশ, এমকিউ-৯ রিপার, হার্মিস ৯০০, হার্মিস ৪৫০, এফ-১৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖