📌 মার্কিন বাহিনীর হামলায় পাঁচটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস হওয়ার পর ইরান জর্ডানের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ চালায়। মার্কিন নৌযান হামলা এড়িয়ে যায়, কিন্তু ইরান বাহরাইন-কুয়েতের তেলবাহী জাহাজগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করে সতর্কবার্তা দেয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কঠোর অবস্থান নেন
মার্কিন বাহিনীর হামলায় পাঁচটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস হওয়ার পর ইরান পাল্টা জবাব হিসেবে জর্ডানের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইরান গত দুই দিনে মার্কিন নৌযানে দু'বার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করে। এতে প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন বাহিনী ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালায়, যার মধ্যে চারটি ওমান উপসাগরে এবং একটি খার্গ দ্বীপের কাছে ধ্বংস হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মার্কিন হামলায় ধ্বংস**: পাঁচটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর হামলায় চারটি ওমান উপসাগরে এবং একটি খার্গ দ্বীপের কাছে ধ্বংস হয়।
- 📌 **পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ**: ইরান জর্ডানের মুয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে, যার মধ্যে ১৮টি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করে। বাকি দুটি জনবসতিহীন এলাকায় পড়ে।
- 📌 **বাহরাইন-কুয়েতের হুমকি**: ইরান বাহরাইন ও কুয়েতের বন্দরসংলগ্ন তেলবাহী জাহাজগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করে সতর্কবার্তা দেয়।
- 📌 **মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি**: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরান যতবার মার্কিন নৌযানে হামলা চালাবে, ততবারই তাদের তেলবাহী জাহাজ হারাবে।
- 📌 **নতুন নিষেধাজ্ঞা**: মার্কিন প্রশাসন ইরানের ২৭টি বিমান সংস্থা ও নৌবাহিনীর ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইরান গত দুই দিনে মার্কিন নৌযানে দু'বার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করে। তবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি এড়িয়ে যায়। এর প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন বাহিনী ইরানের পাঁচটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালায়। হামলার আগে মার্কিন বাহিনী জাহাজের ক্রুদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় কোনো মার্কিন সেনা বা নৌসদস্য আহত হননি।
ইরানের পাল্টা হামলায় জর্ডানের মুয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে দেয় তেহরান। জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানায়, ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়। বাকি দুটি জনবসতিহীন এলাকায় পড়ে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, তাদের লক্ষ্য ছিল জর্ডানের এই সামরিক ঘাঁটি, যা মার্কিন বাহিনীও ব্যবহার করে।
ইরান বাহরাইন ও কুয়েতের বন্দরসংলগ্ন এলাকায় থাকা তেলবাহী জাহাজগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করে সতর্কবার্তা দেয়। আইআরআইবি জানায়, কুয়েত ও বাহরাইনের বন্দরে থাকা তেলবাহী জাহাজের ক্রুদের দ্রুত জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে এই দুই দেশকে উল্লেখ করে বলেছে, তারা মার্কিন বিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশীদার।
"ইরান যতবার মার্কিন নৌযানে হামলা চালাবে বা করার চেষ্টা করবে, ততবারই তাদের তেলবাহী জাহাজ হারাতে হবে।"
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কলম্বিয়া সফরকালে সাংবাদিকদের বলেন, ইরান এখনো মার্কিন নৌযানে হামলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ইরানের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কঠোর অবস্থান নেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওমান উপসাগর, খার্গ দ্বীপ, জর্ডান (মুয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটি), বাহরাইন-কুয়েত বন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ইরানের রাষ্ট্রপতি (উদ্ধৃতি ছাড়া)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস, ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে, ১৮টি ভূপাতিত, ২৭টি বিমান সংস্থা নিষেধাজ্ঞা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!