📌 চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের থিবো কোর্তোয়া বেলজিয়ামের প্রথম গোলকিপার হিসেবে ১০০ ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। ম্যানচেস্টার সিটি স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ডের গোলগড়া ১০-এর উপরে দাঁড়িয়েছে। বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সেরহু গিরেসি এক ম্যাচে জোড়া গোল ও আত্মঘাতী গোলের ইতিহাস তৈরি করেছেন।
চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের শুরুতে রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার সিটি ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের খেলায় নতুন রেকর্ড গড়া হয়েছে। কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হলান্ডসহ বিভিন্ন খেলোয়াড়ের পরিসংখ্যানে ইতিহাসের নতুন পাতা খুলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **থিবো কোর্তোয়া** রিয়াল মাদ্রিদের গোলকিপার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে **১০০তম ম্যাচ** খেলেছেন — বেলজিয়ামের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
- 📌 **রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে** ৯৯ ম্যাচে **৭১ গোল** করার মাধ্যমে শীর্ষ পাঁচ গোলদাতার তালিকায় পৌঁছেছেন — রাউল গঞ্জালেসের ১৪২ ম্যাচে ৭১ গোলের রেকর্ডের সাথে সমান হয়ে গেছেন।
- 📌 **ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হলান্ড** ৫৯ ম্যাচে **১০ গোলের উপরে গড়** গোল করছেন — চ্যাম্পিয়নস লিগে এক ম্যাচে গড়ে এক গোলের রেকর্ডে দাঁড়িয়েছেন।
- 📌 **বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সেরহু গিরেসি** এক ম্যাচে **জোড়া গোল ও আত্মঘাতী গোল** করার ইতিহাস তৈরি করেছেন — আগে এক ম্যাচে ১৬ গোল ও আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড ছিল।
- 📌 **রিয়াল মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র** ইন্টার মিলানের বিপক্ষে **৯ বার বল রিকভারি** করেছেন — এক ম্যাচে সর্বোচ্চ রিকভারি রেকর্ডে তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে দাঁড়িয়েছেন।
- 📌 **উরুগুয়ের সান্তিয়াগো মৌরিনিও** ভিয়ারিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে **১৫০তম গোল** করার ইতিহাস তৈরি করেছেন — উরুগুয়ের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রথম গোল ১৯৯৬ সালে পাওলো মন্তেরো করেছিলেন।
📰 বিস্তারিত
চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া বেলজিয়ামের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে **১০০ ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ** করেছেন। তিনি ২০১৩-১৪ মৌসুম থেকে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছেন। কোর্তোয়ার এই সাফল্য রিয়ালের গোলকিপারদের মধ্যে অষ্টম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০ ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করা।
রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে ৯৯ ম্যাচে **৭১ গোল** করার মাধ্যমে শীর্ষ পাঁচ গোলদাতার তালিকায় পৌঁছেছেন। আগে এই রেকর্ডে ছিলেন রাউল গঞ্জালেস, যিনি ১৪২ ম্যাচে ৭১ গোল করেছিলেন। শীর্ষ চার গোলদাতার তালিকায় রয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (১৪০ গোল), লিওনেল মেসি (১২৯ গোল), রবার্ট লেভানডফস্কি (১০৯ গোল) ও করিম বেনজেমা (৯০ গোল)।
ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হলান্ডের গোলগড়া **১০-এর উপরে** দাঁড়িয়েছে। তিনি ৫৯ ম্যাচে অন্তত ১০ গোল করার মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগে এক ম্যাচে গড়ে এক গোলের রেকর্ডে দাঁড়িয়েছেন।
বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সেরহু গিরেসি এক ম্যাচে **জোড়া গোল ও আত্মঘাতী গোল** করার ইতিহাস তৈরি করেছেন। আগে এক ম্যাচে ১৬ গোল ও আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড ছিল, কিন্তু জোড়া গোলের সঙ্গে আত্মঘাতী গোলের এই রেকর্ড আগে কেউ করেননি।
রিয়াল মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ইন্টার মিলানের বিপক্ষে **৯ বার বল রিকভারি** করেছেন। এক ম্যাচে সর্বোচ্চ বল রিকভারির তালিকায় তিনি তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে দাঁড়িয়েছেন — আগে এই রেকর্ডে ছিলেন হিগুয়েইন (১২ বার) ও রবিনিও (৯ বার)।
ভিয়ারিয়ালের সান্তিয়াগো মৌরিনিওর গোলটি চ্যাম্পিয়নস লিগে উরুগুয়ের খেলোয়াড়দের **১৫০তম গোল**। এই গোলটি মৌরিনিওর চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম গোল। আগে উরুগুয়ের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রথম গোল করেন জুভেন্টাসের পাওলো মন্তেরো ১৯৯৬ সালের ২০ অক্টোবর।
"রিয়াল মাদ্রিদের গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া বেলজিয়ামের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০ ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপ (চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: থিবো কোর্তোয়া, কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হলান্ড, সেরহু গিরেসি, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, সান্তিয়াগো মৌরিনিও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ (ম্যাচ), ৭১ (গোল), ৯৯ (ম্যাচ), ১৪২ (ম্যাচ), ৫৯ (ম্যাচ), ৯ (বল রিকভারি), ১৫০ (গোল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!