📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিড-ডে মিলের কার্যক্রমে খাবারের মান নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা

মিড-ডে মিলের কার্যক্রমে খাবারের মান নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু করার পরিকল্পনা হলেও খাবারের মান ও অব্যবস্থাপনার প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে চালু করার আগে খাবারের মান নিশ্চিতকরণ ও তদারকি ব্যবস্থা নিতে হবে।

দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগামী বছর থেকে মিড-ডে মিল চালু করার পরিকল্পনা হলেও খাবারের মান ও অব্যবস্থাপনার প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে চালু করার আগে খাবারের মান নিশ্চিতকরণ ও তদারকি ব্যবস্থা নিতে হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৭ সাল থেকে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু হবে, যা শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও উপস্থিতি উন্নত করতে পারে
  • 📌 ২২ শতাংশের বেশি বাংলাদেশি নিরক্ষর, যার মধ্যে দারিদ্র্য ও বৈষম্য প্রধান কারণ
  • 📌 ২০২৪ সালে প্রাথমিকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার ৩ শতাংশ বেড়েছে, বিশেষত দরিদ্র ও দুর্গম অঞ্চলে
  • 📌 ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ পুষ্টিকর খাবার কিনতে পারছেন না, যা শিক্ষা ও পুষ্টির জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে
  • 📌 বর্তমানে ১৫০টি উপজেলায় মিড-ডে মিল চালু, সম্পূর্ণরূপে চালু হলে বছরে ১২ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে
  • 📌 বানরুটি, সেদ্ধ ডিম ও কলার মান নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, পচা/কাঁচা কলা ও নষ্ট ডিম সরবরাহের খবর পাওয়া গেছে
  • 📌 ১৯টি প্রতিষ্ঠান খাবার সরবরাহ করছে, রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠেছে

📰 বিস্তারিত

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে প্রাথমিকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার ৩ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষত দরিদ্র ও দুর্গম অঞ্চলে এই হার বেশি। করোনা মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের কারণে অর্থনীতিতে যে ধাক্কা লেগেছে, তার প্রভাব শিক্ষা খাতে এসে লাগেছে। জাতিসংঘের সর্বশেষ খাদ্যনিরাপত্তা প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশে প্রায় ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ পুষ্টিকর খাবার কিনতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে মিড-ডে মিল কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও উপস্থিতি উন্নত করতে পারে।

বর্তমানে ১৫০টি উপজেলায় মিড-ডে মিল চালু আছে। সম্পূর্ণরূপে চালু হলে বছরে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। বর্তমানে বানরুটি, সেদ্ধ ডিম, কলা, ইউএইচটি দুধ ও ফর্টিফায়েড বিস্কুট দেওয়া হয়। তবে বানরুটি, সেদ্ধ ডিম ও কলার মান নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের অভিযোগ রয়েছে। কিছু এলাকায় পচা বা কাঁচা কলা, নষ্ট/দুর্গন্ধযুক্ত সেদ্ধ ডিম এবং নিম্নমানের রুটি সরবরাহের খবর পাওয়া গেছে।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, পুষ্টিমান রেখে অন্য ধরনের খাবার দেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের খাবারের মান ও পুষ্টির ক্ষেত্রে কোনো আপস করা যাবে না। বর্তমানে ১৯টি প্রতিষ্ঠান খাবার সরবরাহ করছে, তবে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে মিড-ডে মিল কার্যক্রমে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

"শিশুদের খাবারের মান ও পুষ্টির ক্ষেত্রে কোনো আপস করা চলবে না। বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে পুরোদমে কার্যক্রম চালুর আগেই খাবারের তালিকা নিয়ে সিদ্ধান্তে আসতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশের ৬৫ হাজার ৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ শতাংশ (নিরক্ষর), ৩ শতাংশ (ঝরে পড়া হার বেড়েছে), ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ (পুষ্টিকর খাবার কিনতে পারছেন না), ৬৫ হাজার ৫৬৭টি (প্রাথমিক বিদ্যালয়), ১৫০টি (উপজেলা), ১২ হাজার কোটি টাকা (বছরে খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖