📌 ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে দুইজন নিহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাগরের তলদেশে। প্রাথমিকভাবে সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পূর্ব নুসা তেঙ্গারায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে এখন পর্যন্ত দুইজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের পর কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭
- 📌 ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে
- 📌 ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার
- 📌 ভূমিকম্পে দুইজন নিহত এবং বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
- 📌 ভূমিকম্পের পর চারটি প্রদেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, পরে তা প্রত্যাহার করা হয়
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর কয়েকটি আফটারশকও অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)।
ভূমিকম্পের ফলে পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার বেশ কয়েকটি শহরে ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের সিক্কা শহরের বাসিন্দা ইয়োহান্না এমবু এএফপিকে বলেন, “আমাদের শহরে অনেকগুলো বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। ভূমিকম্পের সময় লোকজন খুবই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। আমি নিজের চোখের সামনে বন্দর এলাকার একটি ভবন ভেঙে পড়তে দেখেছি।”
অন্য এক বাসিন্দা নাগেকেও জানান, ভূমিকম্পের সময় তিনি একটি মার্কেটে অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, “কম্পণ খুব শক্তিশালী ছিল। মানুষ আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে চিৎকার করছিল, এদিক-সেদিকে ছোটাছুটি করছিল। আমার সৌভাগ্য যে (ভূমিকম্পের সময়) আমি বাড়ির বাইরে ছিলাম।”
ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু এবং ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা চারটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পূর্ব নুসা তেঙ্গারা, পশ্চিম নুসা তেঙ্গারা, দক্ষিণ সুলাওয়েসি ও দক্ষিণপূর্ব সুলাওয়েসিতে সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল। তবে পরে সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
“আমাদের শহরে অনেকগুলো বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। ভূমিকম্পের সময় লোকজন খুবই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। আমি নিজের চোখের সামনে বন্দর এলাকার একটি ভবন ভেঙে পড়তে দেখেছি।”
“কম্পণ খুব শক্তিশালী ছিল। মানুষ আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে চিৎকার করছিল, এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করছিল। আমার সৌভাগ্য যে (ভূমিকম্পের সময়) আমি বাড়ির বাইরে ছিলাম।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পূর্ব নুসা তেঙ্গারা, ইন্দোনেশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়োহান্না এমবু, নাগেকেও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭.৭ (ভূমিকম্পের মাত্রা), ২ (নিহত), ৬৮ (কিলোমিটার), ১০ (কিলোমিটার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!