📌 ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। উপকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দ্বীপাঞ্চলে আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ও পরবর্তী পরাঘাতের ঘটনায় অন্তত ৩৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ভূমিকম্পের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হলেও উপকেন্দ্রের কাছের এলাকাগুলোয় এখনো উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারেননি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ভোররাতে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে
- 📌 ভূমিকম্প পরবর্তী পরাঘাত ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের
- 📌 ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন ১৩ জন এবং প্রায় দুই হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
- 📌 উপকেন্দ্রের কাছের এলাকা নাগেকেওতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত
- 📌 ভূমিকম্পের পর ১ মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হলেও তিন ঘণ্টা পর সতর্কতা প্রত্যাহার
📰 বিস্তারিত
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দ্বীপাঞ্চলে ভোররাত ৪টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ১৫ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর একাধিক পরাঘাত অনুভূত হয় এবং কয়েকটি প্রদেশে প্রবল কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।
দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান সুহারিয়ান্তো এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, গতকাল শুক্রবার বেলা ৩টা পর্যন্ত ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের এবং আহত হয়েছেন ১৩ জন। প্রায় দুই হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকটি ভবনে এখনো বাসিন্দারা আটকা পড়ে আছেন এবং ভূমিধসের কারণে কয়েকটি সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে।
উদ্ধার সংস্থার প্রধান ফাতুর রহমান জানান, বন্দর নগরী মাউমেরে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ২০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে আরও ছয়জন আহত হয়েছেন এবং দুইজন ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ে আছেন। তিনি জানান, ভূমিকম্পের পর উপকেন্দ্রের কাছের অঞ্চল নাগেকেওতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছাতে পারেনি।
"ভূমিকম্পটি ছিল প্রচণ্ড শক্তিশালী। ধাক্কাটা এতই তীব্র ছিল যে প্রাণ বাঁচাতে সবাই দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে আসি।"
ইস্ট নুসা টেঙ্গারা প্রদেশের গভর্নর এমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা জানান, ঘুমের মধ্যে ধসে পড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে অন্তত পাঁচজন নিহত হন। তালিবুরা গ্রামের ৫১ বছর বয়সী বাসিন্দা নোনা জানান, ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে তা সহ্য করা কঠিন ছিল।
ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয়ে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা এ অঞ্চলে প্রায়ই ঘটে থাকে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দ্বীপাঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুহারিয়ান্তো, ফাতুর রহমান, এমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ জন মৃত্যু, ১৩ জন আহত, ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!