📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্পে নিহত ১৪, ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত

ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্পে নিহত ১৪, ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১৪ জন নিহত হন। ভবন ধসে ও সুনামি সতর্কতার কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা টেঙ্গারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপে শনিবার ভোরে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। স্থানীয় সময় ভোর ৫টার ঠিক আগে সংঘটিত এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার গভীরে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৭, কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিলোমিটার গভীরে
  • 📌 ভূমিকম্পে অন্তত ১৪ জন নিহত হন, বেশ কয়েকজন আহতের খবর পাওয়া গেছে
  • 📌 ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়, যা তিন ঘণ্টা পর প্রত্যাহার করা হয়
  • 📌 ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে প্রায় ২,০০০ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
  • 📌 আফটারশকের মধ্যে একটি ছিল ৬.১ মাত্রার

📰 বিস্তারিত

ভূমিকম্পের তীব্র কম্পনে বহু ঘরবাড়ি ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পূর্ব নুসা টেঙ্গারা প্রদেশের গভর্নর এমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা জানান, বেশিরভাগ নিহতই ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন। মাউমেরে বন্দরের ভিডিওতে দেখা যায়, ইন্টার-আইল্যান্ড ফেরির অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের ওপর টার্মিনাল ভবনের বিশাল কংক্রিটের টুকরো ভেঙে পড়ে। ফলে কয়েকজন সমুদ্রের পানিতে পড়ে যান।

ভূমিকম্পের পরপরই কর্তৃপক্ষ সুনামি সতর্কতা জারি করে, যা তিন ঘণ্টা পর তুলে নেওয়া হয়। সুনামি সতর্কতার খবর শুনে উপকূলবর্তী বাসিন্দারা আতঙ্কে উঁচু পাহাড় ও দূরবর্তী এলাকায় সরে যেতে শুরু করেন। জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার তথ্যমতে, প্রায় ২,০০০ মানুষ নিজ উদ্যোগে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। এ ছাড়া নাগেকেও এলাকার প্রায় ২,০০০ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

সিক্কা-র তালিবুরা গ্রামের বাসিন্দা আর্নল্ড ওয়েলিয়ান্তো গণমাধ্যমকে জানান, ‘আমি ঘুমে ছিলাম, হঠাৎ ভীষণ জোরে ঝাঁকুনি পেয়ে জেগে উঠি। দ্রুত বাচ্চার ঘরে যাই। বাইরে বের হয়ে দেখি উপকূলের কাছাকাছি থাকা প্রতিবেশীরা ইতোমধ্যেই পাহাড়ের দিকে ছুটছেন। সাগরের পানি অনেকটা নেমে গিয়েছিল, তাই সবাই আতঙ্কে দৌড়াতে শুরু করে।’ আফটারশকের ভয়ে অনেকেই রাতে ঘরে ফেরেননি বলে জানান তিনি।

“ভূমিকম্পের পর আফটারশকের ভয়ে অনেকেই রাতে ঘরে ফেরেননি। তারা বাইরে উন্মুক্ত স্থানে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” — আর্নল্ড ওয়েলিয়ান্তো, স্থানীয় বাসিন্দা

বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকটি শক্তিশালী আফটারশক অনুভূত হয়েছে, যার মধ্যে একটি ছিল ৬.১ মাত্রার। অঞ্চলটি দুর্গম ও পার্বত্য হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পুরো চিত্র নিশ্চিত করতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার এবং সমুদ্র উপকূল থেকে দূরে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে প্রবেশ না করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফ্লোরেস দ্বীপ, পূর্ব নুসা টেঙ্গারা, ইন্দোনেশিয়া
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: এমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা (পূর্ব নুসা টেঙ্গারা প্রদেশের গভর্নর), আর্নল্ড ওয়েলিয়ান্তো (স্থানীয় বাসিন্দা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭.৭ (মাত্রা), ১৪ (নিহত), ১৫ (কিলোমিটার গভীর), ২,০০০ (আশ্রয় নেওয়া মানুষ), ৬.১ (আফটারশকের মাত্রা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖