📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতের ধনীদের বিদেশমুখী প্রবণতা: কেন দীর্ঘমেয়াদি নাগরিকত্ব হয়ে উঠছে ‘প্ল্যান বি’?

ভারতের ধনীদের বিদেশমুখী প্রবণতা: কেন দীর্ঘমেয়াদি নাগরিকত্ব হয়ে উঠছে ‘প্ল্যান বি’?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের অতি-ধনীদের বিদেশে স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্ব লাভের প্রবণতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, করব্যবস্থার পরিবর্তন এবং মহামারির অভিজ্ঞতা এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ। বিনিয়োগভিত্তিক অভিবাসন কর্মসূচিতে ভারতীয়দের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে।

ভারতের অতি-উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিদের (ইউএইচএনআই) বিদেশে স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্ব লাভের প্রবণতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, পরিবর্তনশীল করব্যবস্থা এবং কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা এই পরিবর্তনের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারতের ধনী পরিবারগুলো বিদেশে স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্বকে দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে
  • 📌 বিনিয়োগভিত্তিক অভিবাসন কর্মসূচিতে ভারতীয়দের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র, পর্তুগাল, গ্রিস, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের কর্মসূচিতে ভারতীয়রা বেশি আবেদন করছেন
  • 📌 মুম্বাই, দিল্লি ও গুজরাট হয়ে উঠছে ভারতের প্রধান বিনিয়োগভিত্তিক অভিবাসন কেন্দ্র

📰 বিস্তারিত

বিনিয়োগভিত্তিক অভিবাসন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মাই আরসিবিআই ডট কম-এর তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ধনী পরিবারগুলো বিদেশে স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্ব লাভকে এখন দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে গ্রহণ করছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ধনঞ্জয়সিং চূড়াসামা জানান, বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অধিকার থাকলে পরিবারগুলো আরও বেশি স্বাধীনতা অর্জন করে। তিনি বলেন, ‘বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অধিকার থাকলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পায়।’

ভারতের ব্যবসায়ী ও করপোরেট নির্বাহীরা বিদেশে স্থায়ী বসবাসকে ‘প্ল্যান বি’ হিসেবে বিবেচনা করছেন। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন বা ব্যবসায়িক পরিবেশের অবনতিতে দ্রুত অন্য দেশে চলে যাওয়ার সক্ষমতা তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। চূড়াসামা উল্লেখ করেন, ভারতের ব্যবসায়ী পরিবারগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদেশে স্থায়ী বসবাসের প্রয়োজনীয়তা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরসিবিআই ডট কম-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে ৮৬টি দেশের নাগরিকরা ৪৭টি বিনিয়োগভিত্তিক অভিবাসন কর্মসূচির আওতায় আবেদন করেছেন। ভারত হয়ে উঠছে এই কর্মসূচির অন্যতম প্রধান উৎসবাজার। মুম্বাই, দিল্লি ও গুজরাট হয়ে উঠছে ভারতের প্রধান কেন্দ্র। গুজরাটে বিপুলসংখ্যক উদ্যোক্তা রয়েছেন, যাদের ব্যবসা আন্তর্জাতিক বাজারে বিস্তৃত হচ্ছে।

‘বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অধিকার থাকলে পরিবারগুলো আরও বেশি স্বাধীনতা অর্জন করে। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পায়।’ — ধনঞ্জয়সিং চূড়াসামা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মাই আরসিবিআই ডট কম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 প্রধান স্থান: মুম্বাই, দিল্লি, গুজরাট
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ধনঞ্জয়সিং চূড়াসামা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৬টি দেশ, ৪৭টি কর্মসূচি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖