📌 শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবিতে ভারতের আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ কর্মকর্তারা। ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই এমন তথ্য উঠে এলো
ভারতের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে প্রত্যর্পণের জন্য শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় আদালত। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত যেকোনো অনুরোধ আদালতের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে যে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাংলাদেশে যে অভিযোগ রয়েছে তা ভারতীয় আইনেও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে কি না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতীয় আদালতই প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা
- 📌 প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া আদালতের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে যে অভিযোগ ভারতীয় আইনের অধীনেও অপরাধ কি না
- 📌 শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন
- 📌 ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া সরাসরি জড়িত
- 📌 আইসিটির রায়কে ভিত্তি করে প্রত্যর্পণের দাবি জানাচ্ছে ঢাকা
📰 বিস্তারিত
ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন যে প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত আদালতের মাধ্যমেই হবে। একজন কর্মকর্তা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, "প্রত্যর্পণ একটি রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভারতীয় আইনের অধীনেও অপরাধ হিসেবে প্রমাণিত হতে হবে।" একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে বিষয়টি উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সঙ্গেও সরাসরি জড়িত।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, শেখ হাসিনা নিজেই আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। গত ৫ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়ের মাসকে স্মরণ করে ডিসেম্বরে দেশে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে শেখ হাসিনা নয়াদিল্লির একটি গোপন স্থানে অবস্থান করছেন।
ঢাকা মূলত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) দেওয়া রায়কে ভিত্তি করে প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, ভারতীয় আদালতে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু হলে তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেওয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করবেন।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির নিয়মানুযায়ী, প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনার পর প্রয়োজনে তদন্তের জন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হতে পারে। তদন্ত শেষে যদি প্রতীয়মান হয় যে অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ নেই, তবে আদালত অভিযুক্তকে খালাসও দিতে পারে।
"প্রত্যর্পণ একটি রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভারতীয় আইনের অধীনেও অপরাধ হিসেবে প্রমাণিত হতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াদিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!