📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতে যুবসমাজের কর্মসংস্থান সংকট: ডিগ্রিধারীরা চাকরি হারাচ্ছেন কেন?

ভারতে যুবসমাজের কর্মসংস্থান সংকট: ডিগ্রিধারীরা চাকরি হারাচ্ছেন কেন?

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের কর্মক্ষম জনসংখ্যার প্রায় ৬৭ কোটি থাকলেও মাত্র ৪০ শতাংশের কর্মসংস্থান রয়েছে। স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিগ্রি মানেই চাকরি নয়, এমনকি তথ্যপ্রযুক্তি ও উৎপাদন খাতেও মজুরি কমছে

ভারতের কর্মক্ষম জনসংখ্যার বিশাল অংশ এখন কর্মহীন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা প্রায় ৬৭ কোটি। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ৪০ শতাংশের কাছেই রয়েছে কর্মসংস্থান। অন্যদিকে, দেশটির বেকারদের মধ্যে ৮৩ শতাংশই যুবসমাজের সদস্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দেশটির 'ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড' লাভের সুযোগকে ক্রমশ সংকুচিত করে দিচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারতের কর্মক্ষম জনসংখ্যার মধ্যে মাত্র ৬৭ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে
  • 📌 দেশটির বেকারদের মধ্যে ৮৩ শতাংশই যুবসমাজের সদস্য
  • 📌 স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে
  • 📌 তথ্যপ্রযুক্তি খাতের চাকরির সংখ্যা কমছে, উৎপাদন খাতেও মজুরি কম
  • 📌 প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য রথীন রায় বলেন, "একটা ভাল ডিগ্রি মানেই যে ভাল চাকরি পাওয়া যাবে, তা কিন্তু নয়। ভারতে জেন-জি দের অনেকেই তাদের প্রথম বেতন থেকে আয়কর দেয় না কারণ তাদের আয়ই অত নয়।"

📰 বিস্তারিত

ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পিছিয়ে রয়েছে দেশটি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা প্রায় ৬৭ কোটি। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ৪০ শতাংশের কাছেই রয়েছে কর্মসংস্থান। অন্যদিকে, দেশটির বেকারদের মধ্যে ৮৩ শতাংশই যুবসমাজের সদস্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দেশটির 'ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড' লাভের সুযোগকে ক্রমশ সংকুচিত করে দিচ্ছে।

আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের 'স্টেট অফ ওয়ার্কিং ইন্ডিয়া ২০২৬' প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্নাতক ডিগ্রিধারী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। অন্যদিকে, জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে বেকারত্বের হার ১৫ থেকে ২৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য রথীন রায় সম্প্রতি 'ইকোনমিক টাইমস'-এর এক প্রবন্ধে লিখেছেন, "একটা ভাল ডিগ্রি মানেই যে ভাল চাকরি পাওয়া যাবে, তা কিন্তু নয়। ভারতে জেন-জি দের অনেকেই তাদের প্রথম বেতন থেকে আয়কর দেয় না কারণ তাদের আয়ই অত নয়।"

তিনি আরো বলেন, "অতীতে তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রের চাকরি যুবসম্প্রদায়ের কাছে একটা বড় ভরসার জায়গা ছিল। কিন্তু এখন এআই তাদের জায়গা কেড়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে উৎপাদন খাতে মজুরিও খুবই কম। এমন কি অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের কারখানায় যারা কাজ করেন, অনেক সময়ে তাদের রোজগার ধনী পরিবারের গৃহকর্মীদের থেকেও কম।"

"একটা ভাল ডিগ্রি মানেই যে ভাল চাকরি পাওয়া যাবে, তা কিন্তু নয়। ভারতে জেন-জি দের অনেকেই তাদের প্রথম বেতন থেকে আয়কর দেয় না কারণ তাদের আয়ই অত নয়।"
"অতীতে তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রের চাকরি যুবসম্প্রদায়ের কাছে একটা বড় ভরসার জায়গা ছিল। কিন্তু এখন এআই তাদের জায়গা কেড়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে উৎপাদন খাতে মজুরিও খুবই কম। এমন কি অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের কারখানায় যারা কাজ করেন, অনেক সময়ে তাদের রোজগার ধনী পরিবারের গৃহকর্মীদের থেকেও কম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রথীন রায়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭ কোটি, ৮৩ শতাংশ, ৪০ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖