📌 ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় সফর আয়োজনে অত্যন্ত আগ্রহী। চলতি মাসের শেষ নাগাদ বা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে নয়াদিল্লিতে এই সফর আয়োজনের চেষ্টা চলছে। সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের লক্ষ্যে পানিবণ্টন চুক্তি, জ্বালানি চুক্তি এবং বাণিজ্য বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে
ভারত সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় সফর আয়োজনে অত্যন্ত তৎপর হয়ে উঠেছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ অথবা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে নয়াদিল্লিতে এই সফর আয়োজনের চেষ্টা চলছে। দুই দেশের সম্পর্কের পূর্ণ স্বাভাবিকীকরণের লক্ষ্যে ভারতীয় কর্মকর্তারা বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারত সরকার তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় সফর আয়োজনে অত্যন্ত আগ্রহী
- 📌 চলতি মাসের শেষ নাগাদ অথবা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে নয়াদিল্লিতে সফর আয়োজনের চেষ্টা
- 📌 সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের লক্ষ্যে পানিবণ্টন চুক্তি, জ্বালানি চুক্তি এবং বাণিজ্য বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা
- 📌 ভারতীয় কর্মকর্তারা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ আশা করছেন
- 📌 বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে ‘সার্বভৌমত্বের অবমাননা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল
📰 বিস্তারিত
ভারত সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় সফর আয়োজনে অত্যন্ত তৎপর হয়ে উঠেছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ অথবা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে নয়াদিল্লিতে এই সফর আয়োজনের চেষ্টা চলছে। দুই দেশের সম্পর্কের পূর্ণ স্বাভাবিকীকরণের লক্ষ্যে ভারতীয় কর্মকর্তারা বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই সফর গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন, জ্বালানি-সংক্রান্ত চুক্তি এবং ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশের ওপর আরোপ করা বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের পথ তৈরি করবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়েছে, ভারতের কূটনৈতিক সূত্রগুলো সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ হতে পারে। ঢাকার সূত্রগুলো দুই দেশের মধ্যে চলমান যোগাযোগে সন্তোষ প্রকাশ করলেও সতর্ক করে বলেছে, ভারতের মাটি থেকে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা তাঁর দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে তা নতুন উদ্যোগগুলোর ওপর ছায়া ফেলতে পারে।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে এই নতুন পর্যায়ের যোগাযোগ শুরু হয় গত ১০ আগস্ট। ওই দিন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর আগে, ৫ আগস্ট নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে শেখ হাসিনা ও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই সংবাদ সম্মেলনকে ‘ক্ষুব্ধ’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অনুষ্ঠানটিকে বাংলাদেশের ‘সার্বভৌমত্বের’ প্রতি ‘অবমাননা’ হিসেবে আখ্যা দেয়।
এর এক দিন আগে, ৯ আগস্ট, বাংলাদেশ ভারতের একটি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানায়। ওই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন ভারতের সরকারের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের প্রধান পরাগ জৈন। বাংলাদেশের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শেখ হাসিনার ওই অনুষ্ঠান থেকে নিজেদের আলাদা বলে ঘোষণা করে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি ভারত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তাঁকে একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছিল।
"আপনারা যদি হাসিনা ইস্যু নিয়ে আটকে থাকেন, তাহলে সুযোগ হাতছাড়া করবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াদিল্লি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তারেক রহমান, শেখ হাসিনা, দীনেশ ত্রিবেদী, পরাগ জৈন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ আগস্ট, ৫ আগস্ট, ৯ আগস্ট, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!