📌 ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী প্রধান শত্রুজিত কাপুরের মতে, চীন-ভারত সীমান্তে অরুণাচল প্রদেশে চলমান সংঘর্ষের পাঁচ বছর পরও উত্তেজনা অব্যাহত। এই সময়ে চীন ও ভারতের মধ্যে সীমান্তে ৩৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মোদির নিরাপত্তা-বিশ্বাসের চ্যালেঞ্জ হিসেবে পরিণত হয়েছে
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী প্রধান শত্রুজিত কাপুরের মতে, চীন ও ভারতের মধ্যে অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে চলমান সংঘর্ষের পাঁচ বছর পরও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ভারতের প্যারামিলিটারি বাহিনী ইন্ডো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ (ITBP) এর পরিচালক জেনারেল শত্রুজিত কাপুরের এই বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই সংঘর্ষগুলি এখনও চলমান রয়েছে। এই সংঘর্ষের পাঁচ বছর আগে, ২০২০ সালের জুন মাসে লাদাখে ভারতীয় ও চীনা বাহিনীর মধ্যে হাতে-হাতে লড়াইয়ে অন্তত ২০ জন ভারতীয় সৈনিক নিহত হয়েছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের ITBP প্রধান শত্রুজিত কাপুরের মতে, অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে চলমান সংঘর্ষ "এখনও চলমান" — পাঁচ বছর পরও উত্তেজনা অব্যাহত
- 📌 চীন সীমান্তে ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ৩৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় নিয়মিতভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দাবি জানিয়ে আসছে
- 📌 চীন ১৯১৪ সালের সিমলা সম্মেলনে স্বাক্ষরিত ম্যাকমহন লাইনকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে, অরুণাচল প্রদেশকে "দক্ষিণ তিব্বত" বা "জাংনান" বলে দাবি করে
- 📌 চীন এছাড়াও আকসাই চিন এলাকায় দাবি জানিয়ে আসছে, যা ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের দাবি করা কাশ্মীরের অংশ
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে চীন ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কে সামান্য উত্তেজনা কমলেও সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী প্রধান শত্রুজিত কাপুরের মতে, অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে চলমান সংঘর্ষের পাঁচ বছর পরও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেছেন, এই সংঘর্ষগুলি এখনও চলমান রয়েছে। এই সংঘর্ষের পাঁচ বছর আগে, ২০২০ সালের জুন মাসে লাদাখে ভারতীয় ও চীনা বাহিনীর মধ্যে হাতে-হাতে লড়াইয়ে অন্তত ২০ জন ভারতীয় সৈনিক নিহত হয়েছিলেন।
চীন ও ভারতের মধ্যে সীমান্তে ৩৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উত্তেজনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তা-বিশ্বাসের চ্যালেঞ্জ হিসেবে পরিণত হয়েছে। মোদি চীন সম্পর্কে শক্তিশালী নিরাপত্তা নীতি গ্রহণ করেছেন, কিন্তু এই উত্তেজনা তার নীতি প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
চীন ও ভারতের মধ্যে সীমান্তের বিতর্কের মূল কারণ হলো ১৯১৪ সালের সিমলা সম্মেলনে স্বাক্ষরিত ম্যাকমহন লাইন। এই সম্মেলনে ব্রিটিশ ভারত ও তিব্বতের মধ্যে সীমান্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু চীন এই লাইনকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে, অরুণাচল প্রদেশকে "দক্ষিণ তিব্বত" বা "জাংনান" বলে দাবি করে। এছাড়াও চীন আকসাই চিন এলাকায় দাবি জানিয়ে আসছে, যা ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের দাবি করা কাশ্মীরের অংশ।
১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের পর থেকে এই সীমান্ত বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। ২০২০ সালের জুন মাসে লাদাখে সংঘর্ষের পর থেকে এই উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ভারত সরকার এখনও পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেনি, তবে চীন ও ভারতের মধ্যে সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
"still continue"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অরুণাচল প্রদেশ, ভারত; লাদাখ, ভারত; সিমলা, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শত্রুজিত কাপুর (ভারতের ITBP প্রধান), নরেন্দ্র মোদি (ভারতের প্রধানমন্ত্রী), জাওয়াহরলাল নেহরু (সাবেক ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট), শি জিনপিং (চীনের প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪৮৮ কিলোমিটার (সীমান্ত দৈর্ঘ্য), ২০ জন (২০২০ সালের লাদাখ সংঘর্ষে নিহত ভারতীয় সৈনিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!