📌 ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের তিনটি শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে ১৩ বেসামরিক নাগরিক আহত করেছে। সাতটি বাড়ি ও দুটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হুতিরা লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে
ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের তিনটি শহর—খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফ—এ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে ১৩ বেসামরিক নাগরিক আহত করেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্রের বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে আহতদের পরিচয় বা অবস্থা সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **হুতি বিদ্রোহীরা** সৌদি আরবের **খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফ** শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে **১৩ বেসামরিক নাগরিক আহত** করেছে
- 📌 হামলায় **সাতটি বাড়ি ও দুটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত** হয়েছে, তবে আহতদের পরিচয় বা অবস্থা জানানো হয়নি
- 📌 **লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ** নিয়ে হুতি-সৌদি সংঘর্ষ বাড়ছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে
- 📌 **২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি** ভেঙ্গে গিয়ে হুতিরা **মায়ুন দ্বীপ ও মোখা বন্দর** দখল করে লোহিত সাগরের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে
- 📌 **ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা** ও হরমুজ প্রণালির বিরোধের পটভূমিতে হুতির অগ্রযাত্রা বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছেন, গতকাল সোমবার সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের তিনটি শহরে হুতি বিদ্রোহীরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। এতে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে আহতদের পরিচয় বা বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে গৃহযুদ্ধ শুরু করে। ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বে সামরিক জোট অভিযান শুরু করে, কিন্তু ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে অতি সম্প্রতি হুতিরা ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে অগ্রসর হয়ে লোহিত সাগরের কৌশলগত বন্দরনগরী মোখা দখল করে। এরপর তারা বাব আল-মানদেব প্রণালির মুখে অবস্থিত মায়ুন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এতে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলের ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
হুতির অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের বাহিনী পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটও হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। জবাবে হুতিরা সৌদি আরবের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। একই সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, যা ইয়েমেনের সংঘর্ষকে আরও জটিল করে তুলেছে।
"হুতিরা বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে ১৩ বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: **খামিস মুশাইত, আবহা, তাইফ (সৌদি আরব)**
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: **হুতি বিদ্রোহীরা, সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র**
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: **১৩ জন আহত, ৭টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, ২টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত**
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!