📌 বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফুড পয়জনিংয়ে ভর্তি সাতমাসের শিশু আমেনা অবহেলায় মৃত্যুবরণ করেছেন। পরিবার দাবি করে, চিকিৎসা গাফিলতি ও ছাড়পত্র না দেওয়ার কারণে শিশুটি মারা গেছে। হাসপাতাল কর্মকর্তা বলেছেন, ‘জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত সাতমাসের শিশু আমেনা অবহেলার কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন। শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার অভিযোগ করেছেন, চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলা এবং সময়মতো ছাড়পত্র না দেওয়ার কারণে তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ সেপ্টেম্বর বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত সাতমাসের শিশু আমেনা মৃত্যুবরণ করেছেন।
- 📌 শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার দাবি করেছেন, চিকিৎসা গাফিলতি ও নার্সদের অবহেলার কারণে মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
- 📌 পরিবার দাবি করে, শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।
- 📌 ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে নার্সদের কাছে জানানো হলেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
- 📌 হাসপাতাল কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেছেন, ‘জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই’।
📰 বিস্তারিত
মৃত্যুবরণকারী শিশু আমেনা বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বরর্তা গ্রামের মহিন্দ্রাচালক মিলন তালুকদারের মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর ফুড পয়জনিংয়ের কারণে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় পরিবার উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।
পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে শিশুটিকে বরিশালে নেওয়ার অনুরোধ জানান, কিন্তু তাদের দাবি মেনে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ফলে শিশুটিকে উজিরপুর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রাখা হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শিশুটির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ে। বিষয়টি নার্সদের জানানো হলেও তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে গভীর রাতে শিশুটি মৃত্যুবরণ করে।
মিলন তালুকদার অভিযোগ করেছেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মেয়েকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেছেন, চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলার কারণে তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। পরিবার ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
"জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই।"
হাসপাতালের কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেছেন, শিশুর স্বজন, নার্স, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের ডেকে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো স্পষ্ট দায়িত্ব স্বীকার করেননি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিলন তালুকদার (শিশুটির বাবা), ডা. হামিদা আক্তার (উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ মাস (শিশুটির বয়স), ৯ সেপ্টেম্বর (ভর্তি তারিখ), ১৩ সেপ্টেম্বর (অবনতি তারিখ), ১৫ সেপ্টেম্বর (মৃত্যু তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!