📌 হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের খামিস মুশায়িত বিমানবেস ও ইয়ানবু তেলকেন্দ্র আক্রমণ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওমানে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মেক্কা আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি নেয়। সৌদি আরব ফ্রান্স, পাকিস্তান, মিশর ও যুক্তরাজ্যের কাছে বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা চায়
হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের খামিস মুশায়িত বিমানবেস ও ইয়ানবু তেলকেন্দ্র আক্রমণ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওমানে হুথি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মেক্কা আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি নেয়। সৌদি আরব ফ্রান্স, পাকিস্তান, মিশর ও যুক্তরাজ্যের কাছে বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা চায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের খামিস মুশায়িত বিমানবেস ও ইয়ানবু তেলকেন্দ্র আক্রমণ করে; সৌদি বিমানবাহিনী ১৫টি ফাইটার হারায়, যার মধ্যে একটি ফ-১৫ ফাইটার হুথির তৈরি পৃষ্ঠভূমি থেকে বিমান প্রতিরক্ষা মিসাইল দ্বারা নিচে আনা হয়।
- 📌 সৌদি আরবের প্রধান সহায়তা ও অস্ত্র সরবরাহকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসাইল স্টক কমে যাওয়ায় তারা ফ্রান্স, পাকিস্তান, মিশর ও যুক্তরাজ্যের কাছে বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা চায়।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওমানে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মেক্কা বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি নেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে স্বীকৃত যেমেন সরকারের পক্ষে দৃঢ় সমর্থন ঘোষণা করে।
- 📌 সৌদি-সহায়তায় যেমেন সরকারের বাহিনী হুথি অবস্থানগুলিকে লক্ষ্য করে মোচা ও মারিবে ড্রোন হামলা চালায়। হুথিরা তাইজ, মারিব ও হুদায়দার প্রদেশে ২৪ ঘণ্টায় ৪০টি বিমান হামলা করে।
📰 বিস্তারিত
হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের খামিস মুশায়িত বিমানবেস ও ইয়ানবু তেলকেন্দ্র আক্রমণ করে। হুথিরা তাদের সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করে যে, তারা সৌদি বিমানবাহিনীর একটি ফ-১৫ ফাইটারকে মারিব প্রদেশে তাদের তৈরি পৃষ্ঠভূমি থেকে বিমান প্রতিরক্ষা মিসাইল দ্বারা নিচে আনা করেছে। আল জাজিরার যেমেন প্রতিনিধি ইউসুফ মাওরি মন্তব্য করেন যে, সৌদি আরবের বিমান হামলার ক্ষমতা হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাদের ক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনে।
সৌদি আরবের প্রধান সহায়তা ও অস্ত্র সরবরাহকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসাইল স্টক কমে যাওয়ায় তারা ফ্রান্স, পাকিস্তান, মিশর ও যুক্তরাজ্যের কাছে বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা চায়। মার্কিন সেনা কমান্ডের মুখপাত্র টিম হকিন্স আল জাজিরাকে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সাথে দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে তাদের সহায়তা করে। তিনি বলেন, “আমরা সৌদি আরবের সাথে সামরিক সম্পর্ক রেখেছি এবং আজও তা পরিলক্ষিত হচ্ছে।”
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওমানে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মেক্কা বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি নেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যেমেন বিষয়ক প্রধান দূত নিল হপ যেমেনের বিদেশ মন্ত্রী আফরাহ আল-জুবায়ের সাথে আলোচনা করেন এবং বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে স্বীকৃত যেমেন সরকারের পক্ষে দৃঢ় সমর্থন প্রদান করছে। মার্কিন দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ইরানের সমর্থিত আক্রমণে যেমেন সরকার ও জনগণের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে।”
সৌদি-সহায়তায় যেমেন সরকারের বাহিনী হুথি অবস্থানগুলিকে লক্ষ্য করে মোচা ও মারিবে ড্রোন হামলা চালায়। হুথিরা তাইজ, মারিব ও হুদায়দার প্রদেশে ২৪ ঘণ্টায় ৪০টি বিমান হামলা করে। হুথির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারাই বলেন, সৌদি যুদ্ধবিমান তাইজ, মারিব ও হুদায়দার প্রদেশে ২৪ ঘণ্টায় ৪০টি বিমান হামলা চালিয়েছে।
"আমরা সৌদি আরবের সাথে সামরিক সম্পর্ক রেখেছি এবং আজও তা পরিলক্ষিত হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওমান (মুসকাত), সৌদি আরব (খামিস মুশায়িত, ইয়ানবু, তাইজ, মারিব, হুদায়দা), যেমেন (মোচা, মারিব)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিল হপ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যেমেন বিষয়ক প্রধান দূত), ইয়াহিয়া সারাই (হুথি সামরিক মুখপাত্র), টিম হকিন্স (মার্কিন সেনা কমান্ডের মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি ফাইটার বিমান হারানো, ৪০টি বিমান হামলা, ২৪ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!