📌 নাটোরের গুরুদাসপুরে সার পাচারের অভিযোগে ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ডিলার গিয়াস উদ্দিন ও স্থানীয় মোল্লা রাঙ্গা মোল্লা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করছেন। কৃষি কর্মকর্তা তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় সার পাচারের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় ডিলার গিয়াস উদ্দিনের সার নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি সারবোঝাই ভটভটি আটকে চাঁদা দাবি করেন। তবে উভয় পক্ষই নিজেদের অভিযোগ অস্বীকার করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভিডিওতে ৪০ বস্তা সার সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দিকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়, যেখানে স্থানীয় লোকজনের কথায় সার পাচারের অভিযোগ উঠে।
- 📌 ডিলার গিয়াস উদ্দিন দাবি করেন, ভিডিওটি ১১ সেপ্টেম্বর তোলা হয়নি, বরং সার কিনে নেওয়া হয়েছিল ৮ বস্তা করে মোট ১৬ বস্তা।
- 📌 রাঙ্গা মোল্লা অভিযোগ করেন, ডিলার গিয়াস উদ্দিনের মাধ্যমে সার পাচার হচ্ছিল এবং তিনি তা রোধ করার চেষ্টা করলে ডিলার তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ আনছেন।
- 📌 কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- 📌 চলতি মৌসুমে গুরুদাসপুর উপজেলায় সাতটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে এবং সারের কোনো ঘাটতি নেই।
📰 বিস্তারিত
গতকাল বুধবার ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের রানীগ্রামের কৃষক শহিদুল ও রাশিদুলের সাথে ডিলার গিয়াস উদ্দিনের সার নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। ভিডিওতে স্থানীয় লোকজনের কথায় ৪০ বস্তা সার সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার সবুজপাড়ায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়। তবে ডিলার গিয়াস উদ্দিন দাবি করেন, ভিডিওটি ১১ সেপ্টেম্বর তোলা হয়নি। তিনি বলেন, কৃষকরা তাঁর কাছ থেকে মোট ১৬ বস্তা সার স্মারক ও রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত করে কিনে নেন।
ডিলারের দাবি, সার নিয়ে যাওয়ার পথে রাঙ্গা মোল্লা নামের একজন ব্যক্তি সারবোঝাই ভটভটি আটকে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে রাঙ্গা মোল্লা ১০ হাজার টাকা দাবি করলেও তিনি তা দেননি। এরপরই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
রাঙ্গা মোল্লা চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ডিলার গিয়াস উদ্দিনের মাধ্যমে পাশের তাড়াশ উপজেলায় সার পাচার হচ্ছিল। তিনি তা রোধ করার চেষ্টা করলে ডিলার তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ আনছেন। রাঙ্গা মোল্লা দাবি করেন, ডিলারের দাবি করা সার বিক্রির কথা সত্য নয়।
কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম বিষয়টি তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, চলতি মৌসুমে সারসংক্রান্ত বিষয়ে সাতটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে এবং উপজেলায় সারের কোনো ঘাটতি নেই।
"আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চলতি মৌসুমে সাতটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে এবং উপজেলায় সারের কোনো ঘাটতি নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুরুদাসপুর উপজেলা, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গিয়াস উদ্দিন, রাঙ্গা মোল্লা, কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম, শহিদুল, রাশিদুল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বস্তা সার, ১১ সেপ্টেম্বর, ৮ বস্তা, ১৬ বস্তা, ২০ হাজার টাকা, ১০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!