📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
ক্রেমলিন-সম্পর্কিত রুশ ব্যবসায়ী ট্রাম্প জুনিয়রের বিয়ের অনুষ্ঠানে দামি উপহার দেন: রাজনৈতিক উদ্বেগের সৃষ্টি অস্ট্রেলিয়ার সাত সাবেক অধিনায়ক: ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ, পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দেন নেত্রকোনা খাদ্যনিয়ন্ত্রক সাংবাদিককে গালাগাল: ধান সংগ্রহে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষিপ্ত হয়ে ফোনে অশালীন ভাষায় আক্রমণ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীরের কবর খোঁড়া ও দেহাবশেষ সরানোর ঘটনায় ভক্তের গ্রেপ্তারি: পুলিশের তদন্তে উন্মোচিত রহস্য হাটহাজারী শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আর্থিক সহায়তা ও সরকারি আশ্বাস: দু’জন শহিদের পরিবার পায় চেক ও বাড়ি নির্মাণের প্রতিশ্রুতি

লোহিত সাগরের উপকূল দখল করে হুতিরা কীভাবে অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছে?

লোহিত সাগরের উপকূল দখল করে হুতিরা কীভাবে অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের উপকূলে নতুন এলাকা দখল করে অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বাড়াচ্ছে। শুল্ক, কর, চোরাচালান ও তেলবাণিজ্য থেকে তারা বছরে ২৫০ কোটি ডলারেরও বেশি আয় করছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দৃঢ় হচ্ছে

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের উপকূলে দ্রুত তাদের নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছে। নতুন দখলকৃত এলাকাগুলো থেকে তারা অর্থনৈতিক সুবিধা নিতে চাইছে, যদিও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভূখণ্ড দখল করলেও তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক লাভের সম্ভাবনা কম। তবে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ তাদের সামরিক শক্তিকে আরও মজবুত করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইয়েমেনের লোহিত সাগরের উপকূলে হুতিরা নতুন এলাকা দখল করে তাদের অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বাড়াচ্ছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তাদের অর্থনৈতিক লাভকে সীমাবদ্ধ করছে
  • 📌 হুতিরা কর, শুল্ক ও জাকাতসহ বিভিন্ন রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে বছরে প্রায় ২৫০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক সম্পদ তৈরি করছে, যার মধ্যে ৮০ কোটি ডলার শুল্ক ও কর থেকে আসে
  • 📌 মার্কিন অভিযোগে, হুতিরা অবৈধ তেলবাণিজ্য ও চোরাচালানের মাধ্যমে বছরে ২০০ কোটি ডলারেরও বেশি আয় করছে, যা ইরানের সহায়তায় পরিচালিত হয়
  • 📌 হুতিরা বেসরকারি খাতেও নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছে, ৪ হাজার ২২৫টি বাণিজ্যিক এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করে তাদের নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দিচ্ছে
  • 📌 হুতিরা দাবি করছে, তাদের অর্থনৈতিক পদক্ষেপের লক্ষ্য দেশীয় উৎপাদন ও ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রসার, কিন্তু বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটি তাদের নিজস্ব অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অংশ

📰 বিস্তারিত

ইয়েমেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে হুতিরা তাদের নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করে আসছে। এর মধ্যে বন্দরনগরী হোদেইদাও তাদের দখলে রয়েছে। এই এলাকাগুলো থেকে তারা শুল্ক, কর ও বিভিন্ন ধরনের রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সুবিধা নিচ্ছে। আল-জাজিরার ইয়েমেনবিষয়ক সম্পাদক আহমেদ আল-শালাফি বলেছেন, সাম্প্রতিক অগ্রযাত্রা মূলত ‘ভৌগোলিক ও সামরিক অর্জন’, অর্থনৈতিক নয়। কারণ হুতিরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার নয়, তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে তারা নতুন দখলকৃত এলাকাগুলো থেকে বাণিজ্যিক সুবিধা নিতে পারছে না।

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখলের পর হুতিরা কর, শুল্ক, জাকাতসহ বিভিন্ন ধরনের রাজস্ব আদায়ের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। মোকা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জুলাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ব্যবস্থা এক ধরনের ‘সমান্তরাল অর্থনীতি’। প্রতিবেদন অনুসারে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বছরে প্রায় ২৫০ কোটি ডলারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ আর্থিক সম্পদ তৈরি হয়। এর মধ্যে কর ও শুল্ক থেকে প্রায় ৮০ কোটি ডলার এবং বিভিন্ন অতিরিক্ত ফি ও আদায় থেকে আরও ৬০ কোটি ডলার আসে। যুদ্ধের জন্য নগদ ও পণ্যসহায়তা হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ৩০ কোটি ডলার।

বেসরকারি খাতেও হুতিরা তাদের নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছে। সানা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশি কোম্পানির স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা ৪ হাজার ২২৫টি বাণিজ্যিক এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে হুতি কর্তৃপক্ষ। এই এজেন্সিগুলোকে তাদের নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দেওয়ার জন্য লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। তবে হুতিরা দাবি করেছে, এই এজেন্সিগুলো তিন বছর ধরে নিবন্ধন নবায়ন না করায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ইয়েমেন অ্যান্ড গালফ সেন্টার ফর স্টাডিজের অর্থনীতি গবেষক হুসাম আল-সাইদি মনে করেন, বেসরকারি খাতের এই পুনর্গঠন পরিকল্পিত। তাঁর মতে, এর মাধ্যমে বিদ্যমান ব্যবসায়ীদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মালিকানা পরিবর্তন করা হচ্ছে, যা হুতিদের অনুকূলে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সমঝোতা বা সামরিক বিজয়—যে পরিস্থিতিই আসুক, হুতিদের হাতে নিজস্ব অর্থের প্রবাহ নিশ্চিত করা তাদের লক্ষ্য।

"সাম্প্রতিক অগ্রযাত্রা মূলত ‘ভৌগোলিক ও সামরিক অর্জন’, অর্থনৈতিক নয়। কেননা হুতিরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার নয়, তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে তারা নতুন দখলকৃত এলাকাগুলো থেকে বাণিজ্যিক সুবিধা নিতে পারছে না।"

মোকা সেন্টারের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রায় ৬৮ হাজার বাণিজ্যিক নথির মধ্যে ২৬ শতাংশ সাধারণ বাণিজ্য ও আমদানিসংক্রান্ত ব্যবসার, ১৮ শতাংশ খাদ্যপণ্যের ব্যবসার। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে, হুতিরা অবৈধ তেল বিক্রির মাধ্যমে বছরে ২০০ কোটি ডলারের বেশি আয় করছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানুয়ারিতে অভিযোগ করেছে যে, ইরান হুতিদের তেল সরবরাহ করে এবং এই লেনদেন পরিচালিত হয় দুবাইভিত্তিক ইরানি মালিকানাধীন বা ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মাধ্যমে। হুসাম আল-সাইদি বলেছেন, হুতিরা দীর্ঘদিন ধরেই জ্বালানি খাতে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। চোরাচালানের মাধ্যমে আনা তেল দেশের বাজারে বিক্রি ও একচেটিয়া দামের সুবিধা নেওয়া—এসবের মাধ্যমে তারা আয় করে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল, হোদেইদা বন্দর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহমেদ আল-শালাফি (আল-জাজিরা), হুসাম আল-সাইদি (ইয়েমেন অ্যান্ড গালফ সেন্টার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ কোটি ডলার (বছরে অর্থনৈতিক সম্পদ), ৮০ কোটি ডলার (শুল্ক ও কর), ২০০ কোটি ডলার (অবৈধ তেলবাণিজ্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖