📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইউরোপীয় মানদণ্ডে সাজানোর জন্য হাঙ্গেরি বাতিল করবে এলজিবিটি বিরোধী শিশু নিরাপত্তা আইনের অংশ

ইউরোপীয় মানদণ্ডে সাজানোর জন্য হাঙ্গেরি বাতিল করবে এলজিবিটি বিরোধী শিশু নিরাপত্তা আইনের অংশ

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাঙ্গেরির নতুন সরকার এলজিবিটি বিরোধী শিশু নিরাপত্তা আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাতিল করার প্রস্তাব করেছে। আইনটি ২০২১ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল এবং এলজিবিটি বিষয়বস্তুকে শিশুদের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। নতুন প্রস্তাবটি ইউরোপীয় আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এসেছে, যা আইনটিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে ঘোষণা করেছিল

হাঙ্গেরির নতুন সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইউরোপীয় ইউনিয়ন) মানদণ্ডে সাজানোর জন্য এলজিবিটি বিরোধী শিশু নিরাপত্তা আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাতিল করার প্রস্তাব করেছে। ২০২১ সালে প্রবর্তিত এই আইনটি শিশুদের জন্য এলজিবিটি বিষয়বস্তুকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতা ও মানবাধিকার কর্মীদের সমালোচনার মুখে পড়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাঙ্গেরির নতুন প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাগার ২০২১ সালের শিশু নিরাপত্তা আইনের একটি অংশ বাতিল করার প্রস্তাব করেছেন, যা এলজিবিটি বিষয়বস্তুকে নিষিদ্ধ করেছিল।
  • 📌 নতুন আইনের প্রস্তাবে 'হোমোসেক্সুয়ালিটি প্রমোশন' বা 'লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রমোশন' বান্দি বাতিল করা হয়েছে এবং এর পরিবর্তে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এমন বিষয়বস্তুকে নিষিদ্ধ করা হবে।
  • 📌 ইউরোপীয় আদালত (ইউরোপীয় আদালত) ২০২৬ সালের এপ্রিলে এই আইনটিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের 'বিশেষ পরিচয়' লঙ্ঘন হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
  • 📌 হাঙ্গেরির নতুন প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাগার বলেছেন, নতুন নিয়মগুলি 'লিঙ্গের উপর নির্ভর করে না' এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।
  • 📌 হাঙ্গেরির সরকার এছাড়াও ২০২০ সালের একটি আইন পরিবর্তনের কথা বিবেচনা করছে, যা একক অভিভাবকদের জন্য গৃহপালিত শিশুদের গৃহপালন নিষিদ্ধ করেছিল।

📰 বিস্তারিত

২০২১ সালে হাঙ্গেরির সাবেক জাতীয়তাবাদী নেতা ভিক্টর অরবানের সরকার শিশুদের নিরাপত্তা আইনের একটি অংশে এলজিবিটি বিষয়বস্তুকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করেছিল। এই আইনটি শিশুদের জন্য 'হোমোসেক্সুয়ালিটি প্রমোশন' বা 'লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রমোশন'কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এই আইনটি পরবর্তীকালে গৌরব প্যারেডের নিষেধাজ্ঞার কারণও হয়েছিল।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা এই আইনকে এলজিবিটি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে স্টিগমা তৈরি করতে এবং সমলিঙ্গ সম্পর্ককে পেডোফিলিয়ার সাথে যুক্ত করতে দায়ী করেছিলেন।

নতুন প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাগার, যিনি এপ্রিল মাসে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ভিক্টর অরবানের ১৬ বছরের শাসনকে সমাপ্ত করেছিলেন, বলেছেন, নতুন নিয়মগুলি শিশুদের জন্য যে কোনো ধরনের বিষয়বস্তুকে নিষিদ্ধ করবে যা তাদের শারীরিক, বুদ্ধিগত, মানসিক বা নৈতিক বিকাশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তিনি বলেছেন, "আমরা এমন কোনো মিডিয়া বিষয়বস্তুকে নিষিদ্ধ করবো যা শিশুদের প্রতি যৌন সহিংসতা, নিয়ন্ত্রণ বা শোষণকে প্রমোত করে।"

২০২৬ সালের এপ্রিলে ইউরোপীয় আদালত (ইউরোপীয় আদালত) এই আইনটিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের 'বিশেষ পরিচয়' লঙ্ঘন হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে, হাঙ্গেরির পুলিশ এই বছরের গৌরব প্যারেড অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়েছে, যা পূর্ববর্তী বছর অরবানের সরকারের সময় নিষিদ্ধ ছিল।

"প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাগার বলেছেন, 'নতুন নিয়মগুলি লিঙ্গের উপর নির্ভর করে না এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।'"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাঙ্গেরি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাগার, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান, ইউরোপীয় আদালত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর (অরবানের শাসনকাল), ২০২১ (আইন প্রবর্তনের বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖