📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে, যা পরিবেশগত চাপ বাড়িয়ে তুলেছে। আসন্ন কপ সম্মেলনে বাংলাদেশ চারটি জলবায়ু অর্থায়ন দাবি তুলবে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে প্রায় এক দশক ধরে আশ্রয় দিচ্ছে, যা জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের পরিবেশগত চাপ বাড়িয়ে তুলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ সেপ্টেম্বর সিরডাপ ভবনে ‘পারস্যুইং ক্লাইমেট জাস্টিস: রোড টু ইউএনজিএ’ শীর্ষক আলোচনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দাবি করেছেন
- 📌 বাংলাদেশের দাবি: রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন
- 📌 ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে বাংলাদেশ, যা পরিবেশগত চাপ বাড়িয়ে তুলেছে
- 📌 আসন্ন কপ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন
- 📌 জলবায়ু অর্থায়ন অনুদানভিত্তিক ও ঋণমুক্ত করার দাবি তুলেছেন প্রতিমন্ত্রী
- 📌 পাটজাত পণ্যকে পরিবেশবান্ধব ন্যাচারাল ফাইবার হিসেবে বিশ্বে তুলে ধরার পরিকল্পনা
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সিরডাপ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘পারস্যুইং ক্লাইমেট জাস্টিস: রোড টু ইউএনজিএ’ শীর্ষক আলোচনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের ১৩ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয়ীকে আশ্রয় দিচ্ছে। এতে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের পরিবেশগত চাপ বাড়ছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসন্ন কপ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন। পাশাপাশি জলবায়ু অর্থায়ন আরও অনুদানভিত্তিক ও ঋণমুক্ত করার দাবি তুলে ধরবেন বাংলাদেশ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন ঋণ হিসেবে নয়, কার্যকর সহায়তা হিসেবে চায় বাংলাদেশ। তিনি আরও বলেন, পাটজাত পণ্যকে পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল ন্যাচারাল ফাইবার হিসেবে বিশ্বে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় পাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
বাংলাদেশের চারটি প্রধান জলবায়ু ন্যায়বিচার দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রতিশ্রুতি নয়, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড ও ক্লাইমেট ফান্ডের অর্থ বাস্তবে পৌঁছানো; জলবায়ু অর্থায়ন আরও সহজ, অনুদানভিত্তিক ও ঋণের বোঝামুক্ত করা; শ্রমিক ও জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করে ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু নীতিতে জেন্ডারভিত্তিক বা নারী-সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত করা।
"আসন্ন কপ সম্মেলনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি জলবায়ু অর্থায়ন আরও অনুদানভিত্তিক করাসহ চারটি দাবি তুলে ধরবে বাংলাদেশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরডাপ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয়ী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!