📌 যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে ইরান পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধের হুমকি দিয়েছে। সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র আজ সোমবার ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আর্থিক অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইরান পাল্টা হিসেবে পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র আজ সোমবার ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই পদক্ষেপকে ‘ডি-ডে’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন
- 📌 ইরান পাল্টা হিসেবে পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধের হুমকি দিয়েছে
- 📌 ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির সামরিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৫০ জন নিহত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট আজ সোমবার ওয়াশিংটন সময় বেলা ১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা) এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেবেন। তিনি এই পদক্ষেপকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর ফ্রান্স অভিযানের সঙ্গে তুলনা করে ‘ডি-ডে’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। স্কট বেসেন্ট বলেন, ইরানের অর্থনীতি ও আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত দেশগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে।
এদিকে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ চলতে থাকলে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হবে না।’ ইরান আরও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধকে তারা ‘যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতার বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া দেশটির অর্থনীতি মারাত্মক চাপের মুখে রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে থেকেই ইরানের অর্থনীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল মুদ্রা ও জ্বালানিসংকটে জর্জরিত ছিল। এখন যুক্ত হয়েছে অবকাঠামোগত ক্ষতি ও বাণিজ্য বাধা।
‘ভোরে শুরু হবে অর্থনৈতিক ডি-ডে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নেওয়া সবচেয়ে বড় আর্থিক অভিযান।’ — স্কট বেসেন্ট, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সর্বশেষ সরাসরি আলোচনা হয়েছিল গত জুন মাসে সুইজারল্যান্ডে। এরপর কাতার, পাকিস্তান ও তুরস্ক কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরান জানিয়েছে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির আজ তেহরান সফর করবেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্কট বেসেন্ট, মোহসেন রেজাই, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫০ জন (নিহত), ১৮ জন (নিহত নেতা সহ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!