📌 ১২ বছর পর লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে মিসর পুনরায় দূতাবাস চালু করেছে। এই পদক্ষেপে মিসর লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলভিত্তিক সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দিয়েছে। মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা বলেছিলেন
১২ বছর পর লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে মিসর পুনরায় দূতাবাস চালু করেছে। এই পদক্ষেপে মিসর ও লিবিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের মানবিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত দিয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দূতাবাসের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে এই তথ্য প্রকাশ করে। এই পদক্ষেপকে মিসরের কূটনৈতিক অবস্থানের একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এতদিন দেশটি লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলভিত্তিক সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের অন্যতম প্রধান সমর্থক ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ বছর পর লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে মিসর পুনরায় দূতাবাস চালু করেছে
- 📌 মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি দূতাবাস পুনরায় চালুর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
- 📌 মিসর দীর্ঘদিন লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলভিত্তিক সরকারের সমর্থন দিয়েছে, কিন্তু এবার পশ্চিমাঞ্চলভিত্তিক সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পদক্ষেপ নেয়
- 📌 লিবিয়ায় ২০১১ সাল থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাত চলছে
- 📌 লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন সরকার এবং পশ্চিমাঞ্চলে আবদুল হামিদ দবেইবার নেতৃত্বাধীন সরকারের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে
📰 বিস্তারিত
২০১৪ সালে লিবিয়ায় সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করলে মিসর ত্রিপোলির দূতাবাস বন্ধ করে দেয়। সেই সময় লিবিয়ায় দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার গড়ে ওঠে — একটি পূর্বাঞ্চলে এবং অন্যটি পশ্চিমাঞ্চলের রাজধানী ত্রিপোলিতে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে অনেক বিদেশি দূতাবাসও কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। শনিবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি বলেন, দূতাবাস ভবনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব মিসর ও লিবিয়ার দীর্ঘদিনের মানবিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতিফলন।
উত্তর আফ্রিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ লিবিয়া ২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতের মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেনগাজিতে খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) এবং ওসামা হাম্মাদের নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমাঞ্চলের রাজধানী ত্রিপোলিতে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ দবেইবার নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জাতীয় ঐক্যের সরকার (জিএনইউ)।
"দূতাবাস ভবনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব মিসর ও লিবিয়ার দীর্ঘদিনের মানবিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতিফলন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি, আবদুল হামিদ দবেইবার, খলিফা হাফতারের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর, ৭ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!