📌 কঙ্গোর ইবোলা মহামারির বিস্তার ষষ্ঠ প্রদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ১২৮ জনের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে, মহামারি নিয়ন্ত্রণে না গেলে তা এক বছরের বেশি স্থায়ী হতে পারে
কঙ্গোর ইবোলা মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে ষষ্ঠ প্রদেশ পর্যন্ত। আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের প্রধান জঁ কাসেয়া বৃহস্পতিবার জানান, পূর্ববর্তীভাবে আক্রান্ত না হওয়া বাস-উয়েল প্রদেশে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি হাউত-উয়েল প্রদেশ থেকে বাস-উয়েল প্রদেশের রাজধানী বুতা শহরে ভ্রমণ করেছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কঙ্গোর ইবোলা মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে ষষ্ঠ প্রদেশ বাস-উয়েল পর্যন্ত
- 📌 মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ১২৮ জনের, আক্রান্ত চার হাজার ৫৬৬ জন
- 📌 মহামারি নিয়ন্ত্রণে না গেলে তা এক বছরের বেশি স্থায়ী হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের প্রধান
- 📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, মহামারি পূর্ববর্তী যেকোনো সময়ের তুলনায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে
📰 বিস্তারিত
কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ইতুরিতে ইবোলা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে উত্তর কিভু, দক্ষিণ কিভু, হাউত-উয়েল, তশোপো ও বাস-উয়েল প্রদেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ মহামারিতে দুই হাজার ১২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস বুধবার বলেন, মহামারি বর্তমান গতিতে চলতে থাকলে তা পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ মৃত্যুহারের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। পূর্ববর্তী মহামারিতে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এক লাখ ১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
এ মহামারি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল গত ১৫ মে। তবে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই ভাইরাসটির বিস্তার শুরু হয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তিন মাসের মধ্যে ভাইরাসটির বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনার আশা করছে। তবে সংস্থাটি সতর্ক করেছে, মহামারি তিন মাসের মধ্যে শেষ হবে না।
ইবোলা অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। দেহের তরল পদার্থ ও দূষিত পৃষ্ঠের মাধ্যমে এটি ছড়াতে পারে। এই মহামারির জন্য দায়ী বিরল বান্ডিবুগিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে অনুমোদিত কোনো টিকা বা চিকিৎসা নেই।
"আমরা যদি এই মহামারি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারি, তবে তা এক বছরের বেশি স্থায়ী হবে এবং বিশ্বের বৃহত্তম মহামারিতে পরিণত হবে।"
— জঁ কাসেয়া, প্রধান, আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র
"বর্তমান গতিতে চলতে থাকলে মহামারি পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ মৃত্যুহারের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।"
— টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস, মহাপরিচালক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জঁ কাসেয়া, টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু দুই হাজার ১২৮ জন, আক্রান্ত চার হাজার ৫৬৬ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!