📌 কঙ্গোর ইবোলা মহামারি এখন বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, সংক্রমিতের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়ালেও মহামারি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার তিনশ’র বেশি মানুষের।
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) চলমান ইবোলা মহামারি এখন বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধানম ঘেব্রেইয়েসুস মঙ্গলবার এক জরুরি বৈঠকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মহামারি নিয়ন্ত্রণে সহায়তার আহ্বান জানান। এখন পর্যন্ত দুই হাজার তিনশ’র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
- 📌 সংক্রমিতের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে, মৃত্যু দুই হাজার তিনশ’র বেশি
- 📌 মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে ডব্লিউএইচও, মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধানম ঘেব্রেইয়েসুসের সতর্কবার্তা
- 📌 মহামারির বিস্তার রোধে ভ্যাকসিন ও চিকিৎসার অভাবসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধানম ঘেব্রেইয়েসুস মঙ্গলবার এক জরুরি বৈঠকে ইবোলা মহামারি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা কামনা করেন। তিনি বলেন, “আমাদের সততার সাথে বলতে হবে যে, মহামারিটি এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এটি অনেক আগেই শুরু হয়েছিল এবং আমরা এখনও পিছিয়ে রয়েছি।”
এই মহামারি কঙ্গোর ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মহামারির চেয়ে এবার মৃত্যু সংখ্যা বেশি। মহামারির বিস্তার রোধে কার্যকর ভ্যাকসিন বা চিকিৎসার অভাব রয়েছে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। এছাড়া খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ অঞ্চলে চলমান সংঘর্ষ, ভুল তথ্য প্রচার, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি অবিশ্বাস এবং সাংস্কৃতিক রীতিনীতির কারণে মহামারি নিয়ন্ত্রণ আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
টেড্রোস অ্যাধানম ঘেব্রেইয়েসুস সতর্ক করে বলেন, মহামারিটি “অপ unprecedented গতিতে” ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক মৃত্যুর স্থান থেকে দেখা যাচ্ছে যে, সংক্রমণের নতুন ধারাগুলো এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তিনি বলেন, “প্রতিটি সংক্রমণের ধারা শনাক্ত ও বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত মহামারি চলবে।”
“আমাদের সততার সাথে বলতে হবে যে, মহামারিটি এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এটি অনেক আগেই শুরু হয়েছিল এবং আমরা এখনও পিছিয়ে রয়েছি।”
“মহামারিটি অপ unprecedented গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে।”
ডব্লিউএইচওর চিকিৎসক থিয়ের্নো বাল্দে জানান, মহামারি নিয়ন্ত্রণে মোটরসাইকেল চালকদের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ তারা রোগীদের এবং মৃতদেহ পরিবহনের দায়িত্ব পালন করায় সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন। তিনি বলেন, “হাত ধোয়ার স্টেশন এবং জীবাণুনাশক সরবরাহ করা হয়েছে, তবে এখন লক্ষ্য হলো তাদেরকে নজরদারি ও প্রতিক্রিয়া কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া।”
এই মহামারি গত ১৭ মে ঘোষণা করা হলেও জেনেটিক পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এটি ফেব্রুয়ারি থেকেই ছড়াতে শুরু করেছিল। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা তৈরি করা ইবোলার এই প্রজাতির জন্য প্রথম স্বেচ্ছাসেবকের টিকা গত মাসে যুক্তরাজ্যে দেওয়া হয়েছে। ভারতে উৎপাদিত কয়েক লাখ ডোজ টিকা পরীক্ষা সফল হলে তাৎক্ষণিক ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টেড্রোস অ্যাধানম ঘেব্রেইয়েসুস, থিয়ের্নো বাল্দে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু দুই হাজার তিনশ’র বেশি, সংক্রমিত পাঁচ হাজারের বেশি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!