📌 কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার বিধ্বংসী ভূমিকম্পে প্রায় তিন শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ সরাতে শ্রমিকরা কাজ শুরু করলেও জীবিতদের উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পুনর্গঠনে অন্তত ৩.২ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ
কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরগুলোতে ভূমিকম্পের এক সপ্তাহ পরেও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। শ্রমিকরা ভারী যন্ত্রপাতির সাহায্যে ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলো থেকে ইট-পাথর সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পেরেইরায় ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভবনগুলো থেকে ধ্বংসস্তূপ সরাতে শ্রমিকরা ব্যস্ত রয়েছেন।
- 📌 গত সোমবার ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ৩০০ মানুষ নিহত এবং ২৭ হাজার বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে।
- 📌 ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে অন্তত ১৪০ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
- 📌 ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত শহর পুনর্গঠনে কমপক্ষে ৩.২ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন ক্যালির মেয়র আলেহান্দ্রো এদের।
- 📌 ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে শুল্ক স্থগিতের অনুরোধ জানান।
📰 বিস্তারিত
কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পেরেইরার ৩০ বছর বয়সী নার্সিং শিক্ষার্থী আন্দ্রেস কানো বলেন, ভূমিকম্পের এক সপ্তাহ পরেও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তিনি এএফপিকে বলেন, ‘এখন জীবিত কাউকে খুঁজে পাওয়ার আশা অনেকটাই কমে গেছে।’
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে শ্রমিকরা ভারী যন্ত্রপাতির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোর বেশ কয়েকটিতে লাল রঙের ‘ঢ’ চিহ্ন দেওয়া হয়েছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হিসেবে চিহ্নিত। এসব এলাকায় পথচারীদের প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ক্যালির মেয়র আলেহান্দ্রো এদের জানান, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত শহর পুনর্গঠনে কমপক্ষে ৩.২ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, ‘আবার নতুন করে সবকিছু শুরু করার কষ্টটা খুবই কঠিন।’ ক্যালির ৪১ বছর বয়সী আইনজীবী জর্জ লিওন এএফপিকে বলেন, ভূমিকম্পের পর সবকিছু যেন স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘কী ঘটেছে, সেটা এখনো ঠিকভাবে বুঝে উঠতে পারছি না।’
"এখন জীবিত কাউকে খুঁজে পাওয়ার আশা অনেকটাই কমে গেছে।" — আন্দ্রেস কানো, নার্সিং শিক্ষার্থী, পেরেইরা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলম্বিয়া (পেরেইরা ও ক্যালি শহর)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা (কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট), আন্দ্রেস কানো (নার্সিং শিক্ষার্থী), জর্জ লিওন (আইনজীবী), আলেহান্দ্রো এদের (ক্যালির মেয়র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৩০০ জন, নিখোঁজ ১৪০ জন, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ২৭ হাজার, পুনর্গঠন ব্যয় ৩.২ বিলিয়ন ডলার, ভূমিকম্পের মাত্রা ৭.৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!