📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীনের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ: হোয়াইট হাউসের অভিযোগ

চীনের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ: হোয়াইট হাউসের অভিযোগ

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মার্কিন শুল্ক এড়াতে চীনা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ। হোয়াইট হাউসের অভিযোগ, ট্রান্সশিপমেন্ট প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩০ বিলিয়ন থেকে ৩শ’ বিলিয়ন ডলারের পণ্য স্থানান্তরিত হয়েছে। চীন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে এই অভিযোগ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক এড়াতে চীনা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ বলে অভিযোগ করেছে হোয়াইট হাউস। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) প্রকাশিত বিবিসির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে হোয়াইট হাউস জানায়, চীনা পণ্য এমন সব দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে, যেগুলোতে তুলনামূলক কম আমদানি শুল্ক রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন শুল্ক এড়াতে চীনা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ
  • 📌 কানাডা, ভারত, মেক্সিকো, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ আরও দেশের নাম উল্লেখ করেছে হোয়াইট হাউস
  • 📌 ট্রান্সশিপমেন্ট প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩০ বিলিয়ন থেকে ৩শ’ বিলিয়ন ডলারের পণ্য স্থানান্তরিত হয়েছে বলে দাবি ওয়াশিংটনের
  • 📌 হোয়াইট হাউসের বাণিজ্যবিষয়ক উপদেষ্টা পিটার নাভারো বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে মার্কিন কর্মসংস্থান ও রাজস্বে কোটি কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে
  • 📌 চীন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউসের অভিযোগ

📰 বিস্তারিত

হোয়াইট হাউসের অভিযোগ, উচ্চ শুল্কের আওতায় থাকা দেশ থেকে পণ্য সরিয়ে তুলনামূলক কম শুল্কের দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন হিসাবের বরাত দিয়ে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এভাবে প্রায় ৩০ বিলিয়ন থেকে ৩শ’ বিলিয়ন ডলারের পণ্য এক দেশ থেকে অন্য দেশে সরানো হয়েছে। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’। অর্থাৎ, পণ্য তার চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে অন্য একটি দেশের মধ্য দিয়ে পরিবহন করা হয়।

হোয়াইট হাউসের দাবি, কম আমদানি শুল্কের দেশগুলোকে ব্যবহার করে চীন এই প্রক্রিয়ার সুযোগ নিয়েছে। প্রকৃত উৎপাদনস্থল বা পণ্যের উৎস গোপন করতে চীন তৃতীয় কোনো দেশকে সাময়িক গন্তব্য হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং অনেক ক্ষেত্রে পণ্যের প্যাকেজও পরিবর্তন করেছে। প্রতিবেদনে এ প্রক্রিয়াকে ‘কাগজপত্রের আড়ালে জালিয়াতি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউস আরও দাবি করেছে, ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নতুন করে বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো। আগামী মাসে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের আগে বিষয়টি দুই দেশের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

"বাণিজ্যযুদ্ধে কোনো পক্ষই জয়ী হয় না। তৃতীয় কোনো দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়, এমন একতরফা পদক্ষেপ বা ট্রান্সশিপমেন্ট-সংক্রান্ত কোনো চুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, শি জিনপিং, পিটার নাভারো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০, ৩০ বিলিয়ন, ৩শ’ বিলিয়ন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖