📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিবিআই অভিযোগপত্রে উঠে এল তৃষা শর্মার মৃত্যুর শেষ মুহূর্তের বার্তা

সিবিআই অভিযোগপত্রে উঠে এল তৃষা শর্মার মৃত্যুর শেষ মুহূর্তের বার্তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের আলোচিত তৃষা শর্মা হত্যা মামলায় সিবিআই অভিযোগপত্রে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর জীবনের শেষ ৯০ মিনিটের বিবরণ। স্বামী ও শাশুড়ির মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি

ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপালে সংঘটিত তৃষা শর্মার মৃত্যু নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) আদালতে প্রায় ৬০০ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। অভিযোগপত্রে মৃত্যুর রাতের ঘটনার পাশাপাশি বিয়ের পর থেকে তাঁর জীবনের টানাপোড়েনের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, স্বামী সমর্থ সিং ও শাশুড়ি গিরিবালা সিংয়ের ধারাবাহিক মানসিক নির্যাতনের কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন তৃষা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মৃত্যুর কয়েক মিনিট আগে তৃষা তাঁর ভাবিকে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় লেখেন, ‘ওকে বলো, স্ত্রীর যা অবশিষ্ট আছে, কাল এসে নিয়ে যাক। এখন আমাকে শান্তিতে মরতে দাও।’
  • 📌 সিবিআইয়ের অভিযোগ, সমর্থ ও গিরিবালা তৃষাকে বারবার অপমান করতেন, অশালীন ভাষায় গালাগাল দিতেন এবং তাঁর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন।
  • 📌 অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, তৃষা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং তাঁর গর্ভপাতের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দাম্পত্যে তীব্র বিরোধ শুরু হয়।
  • 📌 অভিযোগপত্র অনুযায়ী, তৃষার প্রায় ২০ লাখ রুপির শেয়ার বিনিয়োগ ছিল, যা সমর্থ ও তাঁর মা যৌথ ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।
  • 📌 তৃষার মৃত্যু ঘটে ১২ মে ভোপালে। তাঁর মৃত্যু নিয়ে সিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে ১৪ আগস্ট।

📰 বিস্তারিত

তৃষা শর্মা ছিলেন একজন প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব। তিনি ‘মিস পুনে’ খেতাব জয়ী ছিলেন এবং অভিনয়জগতেও কাজ করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি করপোরেট চাকরিতে যোগ দেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি অনলাইন ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে সমর্থ সিংয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। একই বছরের ৯ ডিসেম্বর তাঁদের বিয়ে হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই সমর্থ তৃষাকে অতীতের সম্পর্ক নিয়ে অপমান করতেন এবং তাঁর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন।

তৃষার বাবা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ সময় তৃষা বাবার পাশে থাকতে বাপের বাড়িতে ছিলেন। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সমর্থ ও গিরিবালা তাঁকে দ্রুত ভোপালে ফিরে আসতে চাপ দেন। তাঁরা তৃষাকে তাঁর বাবার দেখাশোনা করতে দিতে অস্বীকার করেন। এছাড়া তৃষা জানতে পারেন, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এই গর্ভধারণ ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় তিনি গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নেন।

তৃষার মানসিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। তিনি মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছেও যান। চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তৃষা তীব্র উদ্বেগ, মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তায় ভুগছিলেন। তাঁকে উদ্বেগ কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সমর্থ তৃষাকে বারবার অপমান করতেন এবং গিরিবালা তাঁকে ‘খুনি’ বলেও অভিহিত করেন।

তৃষার মৃত্যুর দিন, ১২ মে সকালেই তিনি বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি তাঁর মায়ের কাছে তিন হাজার রুপি চান, যাতে রাজস্থানের নাসিরাবাদের ট্রেনের টিকিট কাটতে পারেন। তাঁর বাবা সেই টাকা পাঠিয়ে দেন এবং তিনি টিকিটও কেটে ফেলেন। সেদিন বিকেলে তৃষা একটি বিউটি পার্লারে যান। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে তিনি সমর্থ ও গিরিবালাকে উপেক্ষা করার অভিযোগ করেন।

‘ওকে বলো, স্ত্রীর যা অবশিষ্ট আছে, কাল এসে নিয়ে যাক। এখন আমাকে শান্তিতে মরতে দাও।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভোপাল, মধ্যপ্রদেশ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তৃষা শর্মা, সমর্থ সিং, গিরিবালা সিং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০ (পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র), ২০ লাখ (রুপি), ৩ হাজার (রুপি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖