📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দাসপ্রথার আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার প্রস্তুতি, কিন্তু ক্ষতিপূরণ নাকচ: ক্যারিবীয় নেতাদের সম্মেলনের আগে নতুন ঘোষণা

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দাসপ্রথার আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার প্রস্তুতি, কিন্তু ক্ষতিপূরণ নাকচ: ক্যারিবীয় নেতাদের সম্মেলনের আগে নতুন ঘোষণা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম দাসপ্রথার জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার প্রস্তুতি জানিয়েছেন, কিন্তু আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ক্যারিবীয় অঞ্চলে কমনওয়েলথ নেতাদের সম্মেলনের আগে এই ঘোষণা দিয়েছেন তিনি

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম দাসপ্রথার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে প্রস্তুত থাকলেও, ক্ষতিপূরণের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। দাসব্যবসায় ব্রিটেনের ভূমিকা নিয়ে ক্যারিবীয় অঞ্চলে কমনওয়েলথ নেতাদের সম্মেলনের আগে এই ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত তার নিবন্ধে বার্নহাম দাসপ্রথাকে ‘নৃশংস ও বর্বর অপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম দাসপ্রথার জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার প্রস্তুতি জানিয়েছেন, কিন্তু আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
  • 📌 তিনি বলেছেন, ১৬শ শতাব্দী থেকে শুরু করে শত শত বছর ধরে ব্রিটিশদের দাসব্যবসায়ের সাথে জড়িত থাকার জন্য বর্তমান ব্রিটিশ নাগরিকদের কোনো দায় নেই।
  • 📌 কমনওয়েলথ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের আগে ব্রিটিশ চ্যান্সেলর জন হিলি বলেছেন, ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু ক্ষতিপূরণের বিষয়টি আলোচনার মূল বিষয় নয়।
  • 📌 বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলি আলোচনায় বসার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন, তবে ন্যায়বিচারের দাবি অব্যাহত রাখার কথা বলেছেন।
  • 📌 দাসপ্রথা বিলুপ্তির পরও ১৮৩৩ সালে ব্রিটেন দাস মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে বিশাল ঋণ নিয়েছিল, যা ২০১৫ সালে পরিশোধ হয়।

📰 বিস্তারিত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম দাসপ্রথার জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে প্রস্তুত থাকলেও, আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত নিবন্ধে বলেছেন, ‘আমাদের অতীত ইতিহাসের মুখোমুখি হওয়ার সময় এসেছে’। তিনি দাসপ্রথাকে একটি ‘নৃশংস ও বর্বর অপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ‘বহু বছর আগে সম্পূর্ণ ভিন্ন আইন ও সময়ে ঘটে যাওয়া ঐতিহাসিক অপরাধের জন্য আজকের দিনে ব্রিটিশ নাগরিকদের কোনোভাবেই দায়ী করা যায় না’।

বার্নহাম বলেছেন, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো বহু বছর ধরে এই বিষয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে আসছে। তিনি একটি কাঠামোবদ্ধ সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছেন, যেখানে ব্রিটিশদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার দাবিগুলো শোনা হবে। তিনি এ দাবির বিষয়ে ‘উন্মুক্ত’ থাকার কথা জানিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, আর্থিক ক্ষতিপূরণের বিষয়টি তিনি বিবেচনা করবেন না।

বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি বেইডনকও বার্নহামের অবস্থানকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান ব্রিটিশ করদাতাদের এমন ঘটনার জন্য আর্থিকভাবে দায়ী করার কোনো কারণ নেই। বর্তমান প্রজন্মের জন্মের বহু আগে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলি আলোচনায় বসার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন, তবে ন্যায়বিচারের দাবি অব্যাহত রাখার কথা বলেছেন।

অন্যদিকে, দাসপ্রথা বিলুপ্তির পরও ব্রিটেন দাস মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছিল। সেই ঋণ পরিশোধ হয় ২০১৫ সালে। ২০০৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার দাসপ্রথায় ব্রিটেনের ভূমিকা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু তখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ক্ষমা বা আর্থিক ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব ছিল না।

"আমাদের অতীত ইতিহাসের মুখোমুখি হওয়ার সময় এসেছে। দাসপ্রথাকে একটি ‘নৃশংস ও বর্বর অপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রিটেন, ক্যারিবীয় অঞ্চল, কমনওয়েলথ নেতাদের সম্মেলন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যান্ডি বার্নহাম (ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী), জন হিলি (ব্রিটিশ চ্যান্সেলর), মিয়া মোটলি (বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ অক্টোবর, ১৬শ শতাব্দী, ১৮৩৩, ২০১৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖