📌 কলকাতায় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ‘বঙ্গসেনা’ বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ঘেরাও করার চেষ্টা করে। পুলিশের ব্যারিকেডে ব্যর্থ হয়ে তারা মিশনের ৩০০ গজ দূরে অবস্থান নেয়। সংগঠনের নেতা সুভাষ মজুমদার দাবি করেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের প্রতি অত্যাচার চলছে
কলকাতায় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ‘বঙ্গসেনা’ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ঘেরাও করার প্রচেষ্টা চালায়। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ও ব্যারিকেডের কারণে বিক্ষোভকারীরা মিশনের মূল ফটক পর্যন্ত পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। মিছিলটি শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুরু হয়ে পার্ক সার্কাসে অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের দিকে এগিয়ে যায়। গেরুয়া পোশাক পরিহিত বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে এগিয়ে যান, কিন্তু পুলিশের ডাবল ব্যারিকেডে তারা মিশনের প্রায় ৩০০ গজ দূরে থামিয়ে দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১ অক্টোবর কলকাতায় ‘বঙ্গসেনা’ বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ঘেরাও করার চেষ্টা করে, পুলিশের নিরাপত্তায় ব্যর্থ হয়
- 📌 মিছিলে অংশ নেয় বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক, তাদের মধ্যে অনেকেই গেরুয়া পোশাক পরিধান করে
- 📌 পুলিশের ডাবল ব্যারিকেড মিছিলকে মিশনের মূল ফটক থেকে ৩০০ গজ দূরে থামিয়ে দেয়
- 📌 সংগঠনের নেতা সুবাষ মজুমদার দাবি করেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের প্রতি প্রতিদিন অত্যাচার চলছে
- 📌 এই বছরের ৩ অক্টোবরও একই ধরনের বিক্ষোভ হয়েছিল, যা ছিল দ্বিতীয়বার
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ উপহাইকমিশনকে ঘিরে কলকাতায় আবারও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ‘বঙ্গসেনা’ নামের এই হিন্দুত্ববাদী সংগঠন শনিবার (৩১ অক্টোবর) বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্বাধীন সনাতনী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে মিছিলের আয়োজন করে। সংগঠনের নেতা সুভাষ মজুমদার বলেন, ‘আমরা ওই দেশে থাকতে পারছি না। নির্যাতন, গণহত্যা করে আমাদের ওই দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো যারা অবশিষ্ট আছে, তাদের ওপর প্রতিদিন অত্যাচার চলছে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পাঠানো জরুরি। সেই কারণেই আমাদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি।’
মিছিলটি শিয়ালদহ স্টেশন এলাকা থেকে শুরু হয় এবং সংগঠনের কর্মীদের অংশগ্রহণে পার্ক সার্কাসে অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের দিকে এগিয়ে যায়। তবে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় মিছিলকারীরা মিশনের মূল ফটক পর্যন্ত পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। পুলিশ ডাবল ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলকে মিশনের প্রায় ৩০০ গজ দূরে থামিয়ে দেয়। এর ফলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সামান্য ধাক্কাধাক্কি ও বাগ্বিতণ্ডা হয়। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আগে থেকেই মিশন চত্বর ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।
এই ঘটনা ছিল এই মাসেই দ্বিতীয়বার। আগে ৩ অক্টোবর ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া এবং বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে একই ধরনের দাবিতে মিছিল হয়েছিল। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন সংগঠনের উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনকে ঘিরে একাধিকবার বিক্ষোভ হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা এবং শহরের স্বাভাবিক যান চলাচল বজায় রাখা কলকাতা পুলিশের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
"আমরা ওই দেশে থাকতে পারছি না। নির্যাতন, গণহত্যা করে আমাদের ওই দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো যারা অবশিষ্ট আছে, তাদের ওপর প্রতিদিন অত্যাচার চলছে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পাঠানো জরুরি। সেই কারণেই আমাদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা, পার্ক সার্কাস (বাংলাদেশ উপহাইকমিশন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুভাষ মজুমদার (বঙ্গসেনা নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ অক্টোবর, ৩০০ গজ, ৩ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!