📌 ব্রাজিলের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী জারলেস ফ্লাভিও বলসোনারো মোসাদের সাবেক কর্মকর্তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে গেছেন। তার সঙ্গে স্ত্রী ও দুই মেয়ে। দেশত্যাগের আগে তারা আর্জেন্টিনা ও ইকুয়েডর হয়ে মিয়ামি পৌঁছান। তদন্ত চলছে আর্জেন্টিনা ও মার্কিন সরকারের সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়ে
ব্রাজিলের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী জারলেস ফ্লাভিও বলসোনারো মোসাদের সাবেক এক কর্মকর্তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে গেছেন। তার সঙ্গে ছিল তার স্ত্রী ফার্নান্দা ও দুই মেয়ে। ব্রাজিলের আদালতের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তারা গত রবিবার (১ নভেম্বর) আর্জেন্টিনা হয়ে মিয়ামিতে পৌঁছান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাজিলের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী জারলেস ফ্লাভিও বলসোনারো মোসাদের সাবেক কর্মকর্তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে গেছেন।
- 📌 তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ফার্নান্দা ও দুই মেয়ে। তারা দুটি ভ্যানে ব্রাজিল থেকে আর্জেন্টিনার পুয়ের্তো ইগুয়াসু পৌঁছান।
- 📌 ভ্যান দুটির চালকদের একজন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর, অন্যজন তার ছেলে।
- 📌 গত ১৯ অক্টোবর ব্রাজিলে আসা মোসাদের সাবেক কর্মকর্তা বলসোনারোর সঙ্গে একই ভ্যানে ছিলেন। তবে তার নির্দিষ্ট ভূমিকা নিশ্চিত হয়নি।
- 📌 পরিবারসহ গালফস্ট্রিম জি-৪০০ ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে মিয়ামির উদ্দেশে রওনা দেন বলসোনারো। ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিলে জ্বালানি নেওয়ার পর বুধবার তারা মিয়ামিতে পৌঁছান।
- 📌 ‘অপারেশন আলবা’ নামের এই পরিকল্পনা নির্বাচনী প্রচার শেষ হওয়ার আগেই নেওয়া হয়েছিল।
- 📌 তদন্তকারীরা আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্ভাব্য সহায়তা খতিয়ে দেখছেন।
- 📌 ব্রাজিলের ফেডারেল পুলিশ জানিয়েছে, বলসোনারোর দেশত্যাগের কোনো অভিবাসন নথি পাওয়া যায়নি।
- 📌 বিচারপতি আলেকজান্দ্রে দে মোরায়েস তার পাসপোর্ট জমা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
📰 বিস্তারিত
ব্রাজিলের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী জারলেস ফ্লাভিও বলসোনারোর দেশত্যাগের ঘটনাটি তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সিএনএন ব্রাসিলের তথ্য অনুযায়ী, বলসোনারো গত মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে দুটি ভ্যানে ব্রাজিল থেকে আর্জেন্টিনার পুয়ের্তো ইগুয়াসুতে পৌঁছান। তারা তানক্রেদো নেভেস আন্তর্জাতিক সেতু পেরিয়ে পুয়ের্তো ইগুয়াসুতে প্রবেশ করেন। নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে শনাক্ত হওয়া ভ্যান দুটির চালকদের একজন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর, অন্যজন তার ছেলে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৯ অক্টোবর ব্রাজিলে আসা মোসাদের সাবেক কর্মকর্তা বলসোনারোর সঙ্গে একই ভ্যানে ছিলেন। তবে অভিযানে তার নির্দিষ্ট ভূমিকা নিশ্চিত হয়নি। পরিকল্পিতভাবে ‘অপারেশন আলবা’ নামে পরিচিত এই পরিকল্পনা নির্বাচনী প্রচার শেষ হওয়ার আগেই নেওয়া হয়েছিল। বলসোনারো পরিবারসহ গালফস্ট্রিম জি-৪০০ ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে মিয়ামির উদ্দেশে রওনা দেন। ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিলে জ্বালানি নেওয়ার পর বুধবার তারা মিয়ামিতে পৌঁছান।
তদন্তকারীরা আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়ে খতিয়ে দেখছেন। তবে কোনো সরকারের সরাসরি সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়নি। ব্রাজিলের ফেডারেল পুলিশ জানিয়েছে, বলসোনারোর দেশত্যাগের কোনো অভিবাসন নথি পাওয়া যায়নি। এর আগে বিচারপতি আলেকজান্দ্রে দে মোরায়েস তার পাসপোর্ট জমা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তদন্তের অংশ হিসেবে তার ব্যাংক হিসাবসহ সম্পদ জব্দের আবেদন করা হতে পারে।
"গত ১৯ অক্টোবর ব্রাজিলে আসা মোসাদের সাবেক কর্মকর্তা বলসোনারোর সঙ্গে একই ভ্যানে ছিলেন। তবে অভিযানে তার নির্দিষ্ট ভূমিকা নিশ্চিত হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর, মিয়ামি (যুক্তরাষ্ট্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জারলেস ফ্লাভিও বলসোনারো, ফার্নান্দা বলসোনারো, মোসাদের সাবেক কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ নভেম্বর, ১৯ অক্টোবর, গালফস্ট্রিম জি-৪০০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!