📌 ভারতের দিল্লিতে বিরোধী দলগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে প্রায় ১০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। ভোটার তালিকা সংশোধনে সংখ্যালঘুদের ক্ষতির অভিযোগ তুলে তারা পদত্যাগ দাবি করছেন
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিরোধী দলগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। রোববার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রায় ১০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় সরকারের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় মুসলিমসহ সংখ্যালঘুদের ক্ষতির অভিযোগ তুলে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লিতে বিরোধী জোটের বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ
- 📌 নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তুলে বিক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন
- 📌 ভোটার তালিকা সংশোধনে ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ২ কোটি ৮০ লাখ মৃত, ৬ কোটি ৩০ লাখ স্থানান্তরিত ও ৩ কোটি মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়নি
- 📌 বিক্ষোভ দমনে দিল্লিতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, শত শত ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে
- 📌 বিরোধী দলগুলো গত ৩১ অক্টোবর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ছয়টি অভিযোগ উত্থাপন করে ‘জনগণের অভিশংসন’ কর্মসূচি পালন করেছিল
📰 বিস্তারিত
রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে রামলীলা ময়দানে মিছিল নিয়ে বিক্ষোভকারীরা সমবেত হন। বিক্ষোভকারীরা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে, বিভিন্ন দলের পতাকা হাতে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। বিক্ষোভের সূত্রপাত গত বছরের শুরু হওয়া বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে। বিরোধীদের অভিযোগ, এ প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে মুসলিমসহ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোটাররা তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বিরোধী জোটের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২ কোটি ৮০ লাখ মৃত, ৬ কোটি ৩০ লাখ অন্যত্র স্থানান্তরিত এবং ৩ কোটি মানুষকে খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, মৃত ও স্থানান্তরিত ব্যক্তিদের নাম বাদ দিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করাই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য। তবে বিরোধী দলগুলো এ প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক সুবিধা হিসেবে দেখছে।
বিক্ষোভ দমনে দিল্লিতে শত শত ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর অভিযান চালানোর পর ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরকে আনুষ্ঠানিক বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেয়। ফলে রামলীলা ময়দানকে কেন্দ্র করে এবারের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
"ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ওঠা অভিযোগ ভারতের ভবিষ্যৎ নির্বাচনগুলোর নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার ও সরকারি সেবা পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন করে—এমন ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।"
— মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ইলেইন পিয়ারসন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাহুল গান্ধী, জ্ঞানেশ কুমার, ইলেইন পিয়ারসন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ (বিক্ষোভকারী), ১৩ কোটি (ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া নাম), ২ কোটি ৮০ লাখ (মৃত), ৬ কোটি ৩০ লাখ (স্থানান্তরিত), ৩ কোটি (খুঁজে পাওয়া যায়নি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!