📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিহারে মদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুপারিশ গবেষণা প্রতিবেদনে, রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ

বিহারে মদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুপারিশ গবেষণা প্রতিবেদনে, রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিহারের স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান এনসিএইআর মদের ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে রাজস্ব আয় ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারি ব্যয় কমবে। তবে নারীদের ব্যাপক সমর্থনের বিপরীতে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির প্রমাণ মিলেছে

ভারতের বিহার রাজ্যে দীর্ঘ এক দশক ধরে চলমান মদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে দেশটির স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল কাউন্সিল অব অ্যাপ্লায়েড ইকোনমিক রিসার্চ (এনসিএইআর)। ‘ম্যাক্রো পারস্পেকটিভ অব বিহারস ডেভেলপমেন্ট: অ্যাচিভমেন্ট, আনফিনিশড এজেন্ডা অ্যান্ড দ্য ওয়ে ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক প্রতিবেদনে গবেষকরা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে পূর্ববর্তী পর্যায়ে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিহার রাজ্যে মদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে এনসিএইআর
  • 📌 নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে রাজস্ব আয় ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা
  • 📌 বিহারে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির প্রমাণ মিলেছে গবেষণায়
  • 📌 ২০১৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার মদের উৎপাদন, বিক্রি ও পান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছিলেন
  • 📌 নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের পর অবৈধ মদের ব্যবসা ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে

📰 বিস্তারিত

এনসিএইআরের গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিহারে দীর্ঘ এক দশক ধরে চলমান মদের ওপর নিষেধাজ্ঞা সামাজিক পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং রাজ্যের অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে পূর্ববর্তী পর্যায়ে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে রাজস্ব আয় ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে গবেষকদের অনুমান। একই সঙ্গে সরকারি ব্যয়ও কমবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১৬ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার বিহারে মদ উৎপাদন, বিক্রি ও পান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছিলেন। নারী ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন, পারিবারিক সঞ্চয় বৃদ্ধি এবং গার্হস্থ্য সহিংসতা কমানোর লক্ষ্য ছিল এই নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের পর নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ কমেনি।

২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় অপরাধ রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, বিহারে নারীর বিরুদ্ধে নথিভুক্ত অপরাধ বরং বেড়েছে। বেশি অভিযোগ নথিভুক্ত হওয়ার কারণেও এই বৃদ্ধি হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার ফলে অবৈধ মদের ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর সঙ্গে অপরাধ, দুর্নীতি এবং বিকল্প মাদক ব্যবহারের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

"নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ কমার ব্যাপক কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অবৈধ মদের ব্যবসা ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির প্রমাণ মিলেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিহার, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার, গবেষকরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪-১৫ শতাংশ, ১১ লাখ, ১৭ লাখ, ৫ লাখ ৪৭ হাজার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖