📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বেলজিয়ামে নির্মাণকাজে শিক্ষার্থীর হাতে উঠল প্রায় ৯০ লাখ ইউরোর সোনার ভান্ডার

বেলজিয়ামে নির্মাণকাজে শিক্ষার্থীর হাতে উঠল প্রায় ৯০ লাখ ইউরোর সোনার ভান্ডার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বেলজিয়ামে নির্মাণকাজ করতে গিয়ে ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী প্রায় ৯০ লাখ ইউরো মূল্যের সোনার ভান্ডার আবিষ্কার করেছেন। সোনার কয়েন, বার ও টুকরার এই বিপুল সম্পদ উনিশ শতকের শেষভাগে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত সিন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমোন্দের এলাকায় নির্মাণকাজ চলাকালে ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী প্রায় ৯০ লাখ ইউরো মূল্যের সোনার ভান্ডার আবিষ্কার করেছেন। নির্মাণশ্রমিক হিসেবে খণ্ডকালীন কাজ করার সময় তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা একটি পুরোনো মদ তৈরির কারখানার (ব্রুয়ারি) জায়গায় নর্দমা খুঁড়তে গিয়ে এই বিপুল সম্পদের সন্ধান পান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নির্মাণকাজ করতে গিয়ে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী আবিষ্কার করেন প্রায় ৯০ লাখ ইউরোর সোনার ভান্ডার
  • 📌 সোনার ভান্ডারে ছিল কয়েন, বার ও টুকরা — সব মিলিয়ে প্রায় ৯০ লাখ ইউরো মূল্যের সম্পদ
  • 📌 ভান্ডারটি উনিশ শতকের শেষভাগে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে
  • 📌 সোনার ভান্ডারটি একটি ব্যাগে ইটের দেয়াল দিয়ে ঘেরা ভূগর্ভস্থ কক্ষে সংরক্ষিত ছিল
  • 📌 আবিষ্কারের পরপরই শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা পুলিশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন

📰 বিস্তারিত

বেলজিয়ামের শিক্ষার্থী কোবে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে খণ্ডকালীন কাজ করছিলেন ব্রাসেলসের কাছাকাছি সিন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমোন্দের এলাকায়। সেখানে একটি পুরোনো মদ তৈরির কারখানার জায়গায় নর্দমা খুঁড়তে গিয়ে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা প্রথমে কয়েকটি ইউরো কয়েন দেখতে পান। পরে তাঁরা একটি সোনার বার আবিষ্কার করেন, যা দেখে তাঁরা বুঝতে পারেন যে বিষয়টি তাঁদের ধারণার চেয়ে অনেক বড়।

ভান্ডারটি একটি ব্যাগে সংরক্ষিত ছিল, যাতে ছিল সোনার কয়েন, সোনার টুকরা ও নম্বরযুক্ত সোনার বার। উনিশ শতকের শেষভাগে ব্রুয়ারির মালিক থিওফিলাস ভ্যান অ্যাশে তাঁর বিশাল ভিলার নিচে অবস্থিত ভূগর্ভস্থ কক্ষে এই ব্যাগটি লুকিয়ে রেখেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইটের দেয়াল দিয়ে ঘেরা সেই কক্ষটি ছিল অত্যন্ত সুরক্ষিত।

শিক্ষার্থী কোবে বলেন, ‘মাটি খোঁড়ার সময় আমরা সেখানে কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম, এগুলো এক ইউরোর কয়েন। তাই আমরা সেগুলো খুঁড়ে বের করতে শুরু করি। এরপর একটি সোনার বার দেখতে পাই। তখন বুঝতে পারি, বিষয়টি আমাদের ধারণার চেয়ে অনেক বড়।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি সত্যিই দেয়াল দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। কোনো সিন্দুক বা এ ধরনের কিছুর মধ্যে নয়।’

"এটি সত্যিই দেয়াল দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। কোনো সিন্দুক বা এ ধরনের কিছুর মধ্যে নয়।"

১৮৯৯ সালে ওই স্থানে মদ তৈরি শুরু হয়েছিল এবং ১৯৭০ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা হিসেবে তালিকাভুক্ত ভবনটি এখন পুরোপুরি সংস্কার করছে সামাজিক কল্যাণ সংস্থা সিএডব্লিউ ওস্ট-ফ্ল্যান্ডারেন। সেখানে নতুন কার্যালয় ও আবাসন তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ভবনটির লোহার ফটকে এখনো ভ্যান অ্যাশের নামের আদ্যক্ষর ‘ভিএ’ খোদাই করা আছে।

সিএডব্লিউর কর্মকর্তা গির্ট হিলার্ট বলেন, ‘ব্রুয়ার্সহুইস একটি সুন্দর ভবন ছিল। তবে এখন সেটিকে পুরোপুরি ভেঙে সংস্কার করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত শুধু দেয়ালগুলো থাকবে। শ্রমিকেরা নর্দমার পাইপ বসানোর কাজ করার সময় সোনার সন্ধান পান।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমোন্দের, বেলজিয়াম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থী কোবে
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ৯০ লাখ ইউরো

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖