📌 ব্যাঙ্গালুরু পুলিশ অবৈধ অভিবাসী সন্দেহে কথিত ১০৫ বাংলাদেশিকে আটক করেছে। অভিযান চালানো হয়েছে হোয়াইটফিল্ড ও ইলেকট্রনিক্স সিটিতে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে যুক্ত ছিলেন
ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে অবৈধ অভিবাসী সন্দেহে কথিত ১০৫ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ও শনিবার মিলিয়ে ‘অপারেশন মুক্তা’ নামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময়ে হোয়াইটফিল্ড ও ইলেকট্রনিক্স সিটির ৯১টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ওইসব ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। প্রায় ৩ হাজার মানুষের পরিচয় যাচাই করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যাঙ্গালুরু পুলিশ কথিত ১০৫ বাংলাদেশিকে অবৈধ অভিবাসী সন্দেহে আটক করেছে।
- 📌 অভিযান চালানো হয়েছে হোয়াইটফিল্ড ও ইলেকট্রনিক্স সিটির ৯১টি স্থানে।
- 📌 প্রায় ৩ হাজার মানুষের পরিচয় যাচাই করা হয়েছে।
- 📌 আটক ব্যক্তিদের অনেকেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে যুক্ত ছিলেন।
- 📌 ইলেকট্রনিক্স সিটির ডিসিপি এম নারায়ণ জানান, আটক ব্যক্তিদের অনেকের কাছে আধার কার্ড ছিল।
- 📌 অভিযানে ৬০টি পুলিশ দল অংশ নিয়েছে, যেখানে ৬০০-এর বেশি পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন।
- 📌 আটক ১০৫ জনের মধ্যে ৬২ জন হোয়াইটফিল্ড এবং ৪৩ জন ইলেকট্রনিক্স সিটি এলাকা থেকে আটক হন।
📰 বিস্তারিত
ব্যাঙ্গালুরু পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে অবৈধ অভিবাসী সন্দেহে কথিত ১০৫ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ও শনিবার মিলিয়ে ‘অপারেশন মুক্তা’ নামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ইলেকট্রনিক্স সিটির ডিসিপি এম নারায়ণ জানান, আটক ব্যক্তিদের অনেকের কাছে আধার কার্ড ছিল। তিনি বলেন, তারা কীভাবে ও কখন এসব কার্ড পেয়েছে এবং কারা ইস্যু করেছে তা তদন্তে আলাদা মামলা করা হবে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যাচাই-বাছাইয়ের সময় অত্যন্ত সতর্কতা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজ করতে হয়েছে। কারণ, জিজ্ঞাসাবাদ করা ব্যক্তিদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের কিছু ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন। পুলিশ একই সঙ্গে সন্দেহভাজন অবৈধ অভিবাসীদের কর্মসংস্থান ও আবাসনের নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখছে। একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আটক ব্যক্তিদের অনেকেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে যুক্ত ছিলেন। তাদের মধ্যে আবর্জনা সংগ্রহকারী ও র্যাগপিকার রয়েছেন। কেউ কেউ খাবার সরবরাহকারী ও বিভিন্ন কাজও করতেন।
বেশির ভাগ আটক ব্যক্তির থাকার জায়গা ছিল অস্থায়ী শেড। এসব ঘর মাসে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার রুপি ভাড়া নেয়া হতো এবং একটি ঘরে পাঁচ থেকে ছয়জন করে থাকতেন। এসব ব্যক্তিকে বাসস্থান দেয়ার ক্ষেত্রে বাড়িওয়ালাদের কোনো ভূমিকা ছিল কিনা, তাও তদন্ত করছে পুলিশ।
এই অভিযান শুরু হয়েছে কর্ণাটক হাইকোর্টের একটি পর্যবেক্ষণের পর। আদালত এমন এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল, যিনি সন্দেহভাজন এক অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীর বিষয়ে পুলিশকে জানিয়েছিলেন। পরে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে আদালত।
"কেউ বাংলাদেশি অভিবাসী— এমন সন্দেহমাত্র তাকে আক্রমণ বা মারধর করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। অর্থাৎ, নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্রে পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপর জোর দিচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্যাঙ্গালুরু, হোয়াইটফিল্ড ও ইলেকট্রনিক্স সিটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যাঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার সীমান্ত কুমার সিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৫ জন, ৯১টি স্থান, ৩ হাজার মানুষ, ৬০টি দল, ৬০০ জন কর্মকর্তা, ৬২ জন ও ৪৩ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!