📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাজ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কারফিউ: ৮৫ শতাংশ

যুক্তরাজ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কারফিউ: ৮৫ শতাংশ

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাজ্যে সরকার প্রস্তাবিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের রাতের কারফিউ মানতে চান না ৮৫ শতাংশ কিশোর-কিশোরী। জরিপে দেখা গেছে, মধ্যরাত থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করতে চান বেশিরভাগ ব্যবহারকারী

যুক্তরাজ্যে সরকারের প্রস্তাবিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের রাতের কারফিউ মানতে চান না ৮৫ শতাংশ কিশোর-কিশোরী। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের জন্য মধ্যরাত থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চালু করার কথা ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের রাতের কারফিউ মানতে চান না ৮৫ শতাংশ কিশোর-কিশোরী।
  • 📌 সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মধ্যরাত থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চালু করার কথা ছিল।
  • 📌 জরিপে অংশ নেয়া ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ জানিয়েছে, অনলাইন কনটেন্ট দেখার জন্য তারা কারফিউ থেকে বেরিয়ে আসবে।
  • 📌 অনলাইন রেসপনসিবিলিটি নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রক বিভাগের প্রধান লিয়ান প্রোক্টর বলেন, শুধু কারফিউ চালু করলেই অনলাইনের ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকানো সম্ভব হবে— এমন সম্ভাবনা কম।

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাজ্য সরকার জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য রাতের বেলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কারফিউ চালুর পরিকল্পনা প্রকাশ করে। সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকারের সময় এ পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। প্রস্তাবিত এই কারফিউ ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

গত জুনে স্টারমার ঘোষিত ওই নিষেধাজ্ঞায় স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকসহ জনপ্রিয় প্লাটফর্মগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে ডিফল্ট সেটিংস হিসেবে রাতের সময়সীমা চালু থাকবে।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সেন্সাসওয়াইডের করা জরিপে দেখা গেছে, ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ৮৫ শতাংশ এই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করার কথা জানিয়েছে। জরিপে অংশ নেয়া কিশোর-কিশোরীদের প্রায় অর্ধেক জানিয়েছে, বন্ধু ও পরিবারের সাথে কথা বলার জন্য তারা এই ফিচারটি বন্ধ করে দেবে।

"শুধু কারফিউ চালু করলেই অনলাইনের ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকানো সম্ভব হবে— এমন সম্ভাবনা কম। অনলাইন ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য শুধু কারফিউ যথেষ্ট হবে না।"

জরিপে অংশ নেয়া এক হাজার কিশোরের ২ শতাংশ বলেছে, তারা স্কুল চলাকালীন রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার বা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকে। অন্যদিকে ১৮ শতাংশের বেশি কিশোর-কিশোরী জানিয়েছে, তারা রাত ১টা বা তার পর পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট দেখে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিয়ার স্টারমার, লিয়ান প্রোক্টর, ব্রিজেট ফিলিপসন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ শতাংশ, ৩৭ শতাংশ, ২ শতাংশ, ১৬ বছর, ১৭ বছর, মধ্যরাত থেকে ভোর ৬টা
যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 100%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖