📌 চাঁদপুরে ইলিশের দাম বেড়ে কেজিতে ৩ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। নিষেধাজ্ঞা আগে সরবরাহের চাহিদা মেটাতে না পারায় দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলেরা মা ইলিশ রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন
চাঁদপুরে ইলিশের দাম বেড়ে কেজিতে ৩ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা আর পাঁচ দিনে শুরু হওয়ার আগেই সরবরাহের চাহিদা মেটাতে বাজারটি দাম বৃদ্ধির মুখ দেখছে। গত সপ্তাহে এক কেজি ইলিশের দাম ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা, কিন্তু এখন তা বেড়ে ৩ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁদপুরে ইলিশের দাম বেড়ে কেজিতে ৩ হাজার টাকা — আগের সপ্তাহে ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা
- 📌 বহরিয়া ও হরিণা মাছঘাটে ৫০০ গ্রামের ছোট ইলিশের দাম ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা
- 📌 জেলেরা মা ইলিশ রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা ৮ অক্টোবর থেকে শুরু
- 📌 সরবরাহ কমে গেলেও চাহিদা বেশি থাকায় দাম কমছে না, বলেছেন মৎস্য ব্যবসায়ীরা
- 📌 নদীতে ময়লা-আবর্জনা জমে যাওয়ায় জেলেরা মাছ ধরতে পারছেন না
📰 বিস্তারিত
চাঁদপুরের সদর উপজেলার বহরিয়া ও হরিণা মাছঘাটে গিয়ে দেখা যায়, মাছের সরবরাহের চাহিদা মেটাতে বাজারটি দাম বৃদ্ধির মুখ দেখছে। বহরিয়ায় সর্বোচ্চ ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। ছোট ইলিশের হালি দাম ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রামের হালি দাম ২ হাজার টাকা। মাছ আসার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। জেলেরা বলছেন, শেষ সময়ে আমদানি কিছুটা বাড়লেও আগস্টে তা খুবই কম ছিল। এখন পাওয়া ইলিশে কোনোরকমে খরচ উঠছে না।
হানারচরের জেলে নজরুল ইসলাম জানান, “১০ জনের নৌকায় মাছ ধরে খরচ উঠেছে। তবে জালে ময়লা-আবর্জনা আটকে যাওয়ায় আর নদীতে নামতে পারছি না। নিষেধাজ্ঞার আগে হয়তো দু-এক দিন মাছ ধরবো।” হরিণা ঘাটের পাইকারি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর সৈয়াল বলেন, “গত দুই সপ্তাহে প্রতিদিন প্রায় ২০০ মণ ইলিশ এলেও কয়েক দিন ধরে আমদানি কমেছে। দূরদূরান্তের ক্রেতা এলেও চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না।”
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবেবরাত সরকার বলেছেন, “চলতি সপ্তাহে আমদানি কমেছে। কম দামে ইলিশের আশায় অনেকে ঘাটে এলেও চাহিদার তুলনায় মাছ কম থাকায় দাম কমছে না।” সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, “এবার জেলেরা কম-বেশি ইলিশ পাচ্ছেন এবং মাছের গড় আকারও বড়। মা ইলিশ রক্ষায় সচেতনতা কার্যক্রম চলছে। ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ২২ দিন অভয়াশ্রম এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা সফল হলে জেলেরাই সুফল পাবেন। আইন অমান্য করলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে।”
"আমদানি বাড়লেও চাহিদার তুলনায় কম; চাঁদপুরের ইলিশের সুনাম থাকায় চাহিদা বেশি।" — আড়তদার মো. ইদ্রিস আলী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁদপুর সদর উপজেলা, বহরিয়া ও হরিণা মাছঘাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মির্জা ওমর ফারুক (জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা), শবেবরাত সরকার (মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক), জাহাঙ্গীর সৈয়াল (পাইকারি বিক্রেতা), নজরুল ইসলাম (জেলে)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার টাকা (কেজি ইলিশের দাম), ৫০০ গ্রাম (ছোট ইলিশের সর্বোচ্চ ওজন), ২০০ মণ (দৈনিক সরবরাহ), ২২ দিন (মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!