📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোয়াখালীর চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুবরণ: তদন্ত কমিটি গঠন ও হাসপাতাল বন্ধ

নোয়াখালীর চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুবরণ: তদন্ত কমিটি গঠন ও হাসপাতাল বন্ধ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় ১২ বছর বয়সী শিশু মুসলিম উদ্দিনের মৃত্যু ঘটে। হাসপাতাল বন্ধ করে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে এবং শিশুর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে

নোয়াখালীর দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় ১২ বছর বয়সী শিশু মুসলিম উদ্দিনের মৃত্যু ঘটে। ঘটনার পরই হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের জন্য একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিশুর বাবা-মা অভিযোগ করেছেন যে, হাসপাতালের প্যারামেডিক আবুল হোসেন ভুল চিকিৎসা করে শিশুকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে গিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নোয়াখালীর দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় ১২ বছর বয়সী শিশু মুসলিম উদ্দিনের মৃত্যু ঘটে
  • 📌 শিশুর বাবা-মা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী অভিযোগ করেছেন, প্যারামেডিক আবুল হোসেন অ্যানেসথেসিয়া দিলে শিশু বমি করতে শুরু করে
  • 📌 নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে শিশুকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন
  • 📌 সিভিল সার্জন আনোয়ার হোসেন হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ দেন এবং তদন্ত কমিটি গঠন করেন
  • 📌 কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে
  • 📌 শিশুর মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে
  • 📌 লক্ষ্মীপুরের কমলনগর থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, শিশুর স্বজনরা ৯৯৯ নম্বরে কল করে ঘটনাটি পুলিশকে জানিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

গত শনিবার রাতে নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুর এলাকার বাসিন্দা প্যারামেডিক আবুল হোসেনের তত্ত্বাবধানে দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে শিশু মুসলিম উদ্দিনের মৃত্যু ঘটে। শিশুটি লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের বাসিন্দা। শিশুটি গতকাল বিকেলে খেলার সময় বাম চোখে লাঠির আঘাত পায়। তারপর বাবা-মা তাকে দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান।

স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে প্যারামেডিক আবুল হোসেন শিশুটির চোখে অ্যানেসথেসিয়া দেন। পরে শিশু বমি করতে শুরু করলে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। জেনারেল হাসপাতালে শিশুকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্যারামেডিক আবুল হোসেন বলেন, ‘শিশুর চোখের ওপরের ও নিচের পাতায় লোকাল অ্যানেসথেসিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের অ্যানেসথেসিয়ার কারণে মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা নেই।’

সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, শিশুর স্বজনরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশে জানিয়েছেন। ঘটনাস্থল লক্ষ্মীপুরের কমলনগর এলাকায় হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবে।

জেলা সিভিল সার্জন চিকিৎসক আনোয়ার হোসেন বলেন, মৃত শিশুর স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পরই দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শিশুর স্বজনদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা এবং শিশুর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে জানা যাবে।

"শিশুর চোখের ওপরের ও নিচের পাতায় লোকাল অ্যানেসথেসিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের অ্যানেসথেসিয়ার কারণে মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালী সদর উপজেলা, দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুসলিম উদ্দিন (১২), মাহফুজুর রহমান (বাবা), প্যারামেডিক আবুল হোসেন, সিভিল সার্জন আনোয়ার হোসেন, ওসি মো. নজরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ সদস্য (তদন্ত কমিটি), ১২ বছর (শিশুর বয়স), ৯৯৯ (জরুরি সেবা নম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖