📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী হিয়া মনির ব্রেইন টিউমার চিকিৎসায় অর্থের অভাবে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে পারছেন না। পরিবারের চা বিক্রেতা বাবা হরি মহন্তের সামান্য আয়েই সংসার চালাতে হয়, মেয়ের চিকিৎসা ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। সমাজের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবার ও শিক্ষকরা
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের একটি তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ব্রেইন টিউমার চিকিৎসায় অর্থের অভাবে বাঁচতে পারছেন না। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় স্কুলে যেতে পারছেন না এই ছোট্ট মেয়ে। হিয়া মনির পরিবার ও শিক্ষকরা সমাজের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **হিয়া মনির** (১০) ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত, ঢাকায় চিকিৎসা প্রয়োজন কিন্তু অর্থের অভাবে বাড়িতে পড়েই আছে
- 📌 **চিকিৎসা ব্যয়** কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা, বাবা হরি মহন্তের চায়ের দোকান থেকে সংসার চালানো সম্ভব নয়
- 📌 **রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে** পরীক্ষা করে ব্রেইন টিউমার ধরা পড়ে, ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার পরামর্শ
- 📌 **সুন্দরগঞ্জ শহীদ মিনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের** তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী, স্কুলে যেতে পারছেন না দুই বছর ধরে
- 📌 **বাড়ির অবস্থা** খারাপ: টিনের বেড়া ও চাল দিয়ে তৈরি ঘর, বৃষ্টিতে জায়গা করে নিতে হয় বিছানাকে সরিয়ে
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বসবাসকারী হিয়া মনির পরিবার অর্থের অভাবে মেয়ের চিকিৎসা চালাতে পারছেন না। হিয়ার বাবা হরি মহন্ত চা বিক্রেতা। তাঁর দোকান থেকে সংসার চালানো সম্ভব হলেও মেয়ের চিকিৎসা ব্যয় বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
হিয়া মনির মা বিউটি রানী বলেছেন, ‘রংপুরের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেছেন, মেয়ের মাথায় টিউমার হয়েছে। ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। এত টাকা কোথায় পাব আমরা?’ হিয়ার বাবা হরি মহন্ত বলেছেন, ‘প্রায় দুই বছর ধরে মেয়ে অসুস্থ। স্থানীয় চিকিৎসকদের দেখিয়েছিলাম, কিন্তু সুস্থ হয়নি। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করে ব্রেইন টিউমার ধরা পড়ে। ঢাকায় চিকিৎসা করাতে কমপক্ষে পাঁচ লাখ টাকা লাগবে। এত টাকা কোথায় পাব?’
হিয়ার বাড়ি একটি ছোট টিনের ঘর। সংস্কারের অভাবে ঘরের বেড়া খুলে যাচ্ছে। বৃষ্টি হলে বিছানাকে সরিয়ে জায়গা করে নিতে হয়। ঘরের একপাশে পুরোনো কাপড় ও পলিথিন দিয়ে তৈরি টয়লেট। অন্যপাশে একটি নলকূপ। হিয়া মনি বলেছেন, ‘আমার মাথায় যন্ত্রণা হয়। মাথা কামড়াকামড়ি করে। হাঁটতে পারি না। চোখে ঝাপসা দেখি। খেতে পারি না। আমি আবার স্কুলে যেতে চাই। আমি বাঁচতে চাই।’
শিক্ষক কমলা কান্ত বসুনিয়া বলেছেন, ‘হিয়া মনি অত্যন্ত শান্ত, ভদ্র ও মিষ্টি স্বভাবের মেয়ে। অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে আসছে না। আমরা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা দিয়েছি। এবার তাকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করাতে সবার সহযোগিতা প্রার্থনা করছি।’
“মেয়েকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চাই। চিকিৎসা করাতে না পেরে মেয়ে বাড়িতে পড়ে আছে। দিন দিন মেয়েটা মৃত্যুর দিকে যাচ্ছে।” — **হরি মহন্ত**, হিয়ার বাবা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড, গাইবান্ধা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হিয়া মনি (১০), হরি মহন্ত (বাবা), বিউটি রানী (মা), কমলা কান্ত বসুনিয়া (শিক্ষক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা (চিকিৎসা ব্যয়), ৮ নম্বর ওয়ার্ড (বাসস্থান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!