📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অস্ত্রোপচার ক্ষত থেকে যক্ষ্মা: পাবনা হাসপাতালে ১২ জন আক্রান্ত, ১১ জন প্রসূতি!

অস্ত্রোপচার ক্ষত থেকে যক্ষ্মা: পাবনা হাসপাতালে ১২ জন আক্রান্ত, ১১ জন প্রসূতি!

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনার আল-মদিনা হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা ১২০ জনের মধ্যে ১২ জন যক্ষ্মায় আক্রান্ত। এর মধ্যে ১১ জন প্রসূতি এবং ১ জন গলব্লাডার অস্ত্রোপচারগ্রস্থ। জয়া রানী দাসের ক্ষতস্থান থেকে যক্ষ্মা শনাক্ত হওয়ার পর সরকারি তদন্ত শুরু হয়েছে

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা ১২০ জনের মধ্যে ১২ জন যক্ষ্মার সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন প্রসূতি এবং ১ জন গলব্লাডার অস্ত্রোপচারগ্রস্থ। অস্ত্রোপচারের ক্ষতস্থান থেকে যক্ষ্মা ছড়ানোর ঘটনাটি স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্তে রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাবনার আল-মদিনা হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা ১২০ জনের মধ্যে ১২ জন যক্ষ্মায় আক্রান্ত — ১১ জন প্রসূতি, ১ জন গলব্লাডার অস্ত্রোপচারগ্রস্থ
  • 📌 ২০ বছরের জয়া রানী দাসের অস্ত্রোপচার ক্ষতস্থান থেকে যক্ষ্মা শনাক্ত — ২৫ জুলাই থেকে সরকারি ওষুধ গ্রহণ করছেন
  • 📌 হাসপাতালের অস্ত্রোপচার বন্ধ করা হয়েছে, তদন্ত কমিটি গঠন ও আইইডিসিআরকে অনুসন্ধান নির্দেশ
  • 📌 যক্ষ্মা বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অস্ত্রোপচারের সময় যক্ষ্মার সংক্রমণ নতুন নয়, কিন্তু পাবনার ঘটনাটি আশঙ্কাজনক
  • 📌 ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা হলো ফুসফুসবহির্ভূত যক্ষ্মা — চিকিৎসায় নিয়মিত ওষুধ সেবন প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

২০ বছরের কাছাকাছি বয়সী জয়া রানী দাসের অস্ত্রোপচার ক্ষতস্থান থেকে যক্ষ্মা শনাক্ত হওয়ার পর পাবনার ফরিদপুর উপজেলা সদরে আল-মদিনা হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের ঘটনাটি তদন্তের মুখোমুখি হয়েছে। জয়া রানী ২২ মে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ওই দিনই সন্তান প্রসবের জন্য অস্ত্রোপচার করা হয়। ২৪ মে হাসপাতাল থেকে সন্তানসহ বাড়ি ফিরলেও ক্ষতস্থান শুকাতে পারেননি। ২৯ মে ক্ষতস্থান ড্রেসিং করার পরও অবস্থা পরিবর্তন হয়নি। গত ৩০ আগস্ট প্রথম আলোর সাথে কথা বলার সময় তাঁর পরিবার জানান, ক্ষতস্থান থেকে রস বের হতে থাকে এবং পুঁজ জমতে থাকে।

জয়া রানীর ক্ষতস্থান থেকে যক্ষ্মা শনাক্ত হওয়ার পর রাজশাহীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে পরীক্ষায় ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা ধরা পড়ে। এরপর দ্রুতই জয়া রানীকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মাধ্যমে ওষুধ দেওয়া শুরু হয়। ২৫ জুলাই থেকে তিনি সরকারি ওষুধ গ্রহণ করছেন।

ফরিদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রাশেদুল হাসান জানান, মে-জুন মাসে এই হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা ১২ জনের মধ্যে পরবর্তীতে যক্ষ্মা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে একজনের গলব্লাডারে অস্ত্রোপচার হয়েছিল এবং অন্য ১১ জনের অস্ত্রোপচারে প্রসব হয়েছিল। তিনি বলেন, যক্ষ্মার উৎস শনাক্ত করা কঠিন এবং তা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।

স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ হিসেবে আল-মদিনা হাসপাতালের অস্ত্রোপচার বন্ধ রাখা হয়েছে। তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আইইডিসিআরকে অনুসন্ধান নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কিছুটা পুরোনো হওয়ায় অস্ত্রোপচার আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিকে জানানো হয়েছে এবং যথাযথ অনুসন্ধানের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

"অস্ত্রোপচারের সময় যক্ষ্মার সংক্রমণ নতুন ঘটনা নয়, তবে পাবনার মতো ঘটনা বড় মনে হচ্ছে।"

চিকিৎসাশাস্ত্রে জানা যায়, ফুসফুস ছাড়াও শরীরের অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গেও যক্ষ্মা হতে পারে। ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা হলো ফুসফুসবহির্ভূত যক্ষ্মা বা এক্সট্রা–পালমুনারি টিবি। এই ধরনের যক্ষ্মার চিকিৎসায়ও নিয়মিতভাবে প্রতিদিন যক্ষ্মার ওষুধ সেবন করতে হয়। সরকার এ ওষুধ বিনা মূল্যে প্রদান করে থাকে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হাসপাতাল, ফরিদপুর উপজেলা সদর, পাবনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জয়া রানী দাস, মো. রাশেদুল হাসান, মো. আবুল কালাম আজাদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন আক্রান্ত (১১ জন প্রসূতি, ১ জন গলব্লাডার), ১২০ জন অস্ত্রোপচার, ২০ বছর বয়স, ২২ মে-২৯ মে অস্ত্রোপচার ও ড্রেসিং, ২৫ জুলাই ওষুধ শুরু

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖