📌 মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ৯ বছর বয়সী খাদিজা জান্নাত জন্মের পর থেকেই শারীরিক জটিলতার কারণে বিছানায় বন্দী। ডিবিসি নিউজের প্রতিবেদন প্রচারের পর উপজেলা প্রশাসন হুইলচেয়ার ও অর্থসহায়তা দিলে জনসাধারণের কাছ থেকেও ব্যাপক সহযোগিতা পেলেন তিনি
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার একটি দরিদ্র পরিবারের ৯ বছর বয়সী মেয়ে খাদিজা জান্নাত জন্মের পর থেকেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিছানায় বন্দী। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাওয়ার অভাবে তার পরিবার অসহায়। কিন্তু ডিবিসি নিউজের প্রতিবেদন প্রচারের পর উপজেলা প্রশাসন ও জনসাধারণের সহযোগিতার হাত বাড়লো খাদিজার পাশে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ বছর ধরে বিছানায় বন্দী মৌলভীবাজারের খাদিজা জান্নাতের শারীরিক সমস্যা জন্মের পর থেকেই শুরু হলেও চিকিৎসা পাওয়ার অভাবে বাড়তে থাকে তার জটিলতা।
- 📌 উপজেলা প্রশাসন হুইলচেয়ার ও অর্থসহায়তা প্রদান করে খাদিজার পাশে দাঁড়ায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী আর্থিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।
- 📌 ৭০ হাজার টাকা সহায়তা পেয়েছে খাদিজার বাবা জসিম উদ্দিনের বিকাশ নম্বরে জনসাধারণের কাছ থেকে এ পর্যন্ত ৭০ হাজার টাকা সংগ্রহ হয়েছে।
- 📌 চিকিৎসকদের পরামর্শ: ঢাকায় উচ্চতর চিকিৎসার প্রয়োজন খাদিজার শরীরের রক্তনালী শুকিয়ে গেছে বলে চিকিৎসকরা ঢাকায় উচ্চতর চিকিৎসা ও অপারেশনের পরামর্শ দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
জন্মের পর থেকেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বাছিরপুর গ্রামের খাদিজা জান্নাতের জীবন বিছানায় কাটছে। বাবা জসিম উদ্দিন ও মা হালিমা বেগমের মেয়ে খাদিজার শরীরে জন্মগত জটিলতা দেখা দিলে বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। বর্তমানে তিনি বেশিরভাগ সময়ই বিছানায় শুয়ে থাকেন।
৯ বছর ধরে চিকিৎসা পাওয়ার অভাবে খাদিজার পরিবার অসহায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, খাদিজার শরীরের রক্তনালী শুকিয়ে গেছে বলে ঢাকায় উচ্চতর পরীক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজন। কিন্তু অর্থের অভাবে পরিবার এই চিকিৎসা পেতে পারছিল না।
ডিবিসি নিউজের প্রতিবেদন প্রচারের পর খাদিজার অবস্থা প্রশাসনের নজরে আসে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী হুইলচেয়ার ও অর্থসহায়তা প্রদান করে খাদিজার পাশে দাঁড়ান। তিনি জনসাধারণের কাছ থেকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। এছাড়া, খাদিজার বাবা জসিম উদ্দিনের বিকাশ নম্বরে এ পর্যন্ত ৭০ হাজার টাকা সহায়তা পৌঁছেছে।
খাদিজার মা হালিমা বেগম জানান, “৯ বছর ধরে বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়েছি মেয়েকে, কিন্তু অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেতে পারিনি। এখন প্রশাসনের সহায়তা ও জনসাধারণের সহযোগিতার জন্য আমরা অনেক আশাবাদী। তবে উচ্চতর চিকিৎসার জন্য আরও সহযোগিতা প্রয়োজন।”
"প্রতিবেদন প্রকাশের পর মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। এ পর্যন্ত বিকাশ নম্বরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা সহায়তা এসেছে।" — জসিম উদ্দিন, খাদিজার বাবা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জুড়ী উপজেলা, মৌলভীবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খাদিজা জান্নাত (৯ বছর), জসিম উদ্দিন (বাবা), হালিমা বেগম (মা), মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ বছর, ৭০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!